ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
করোনা থেকে বাঁচতে অতিরিক্ত গোমূত্র পানে অসুস্থ বাবা রামদেব?
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Saturday, 14 March, 2020, 6:10 PM

করোনা থেকে বাঁচতে অতিরিক্ত গোমূত্র পানে অসুস্থ বাবা রামদেব?

করোনা থেকে বাঁচতে অতিরিক্ত গোমূত্র পানে অসুস্থ বাবা রামদেব?

বর্তমানে বিশ্বে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এই মারণ-ভাইরাসের লাগামহীন বিস্তার ঠেকাতে এবং প্রতিষেধক তৈরির জন্য রাত-দিন একাকার করে ফেলছেন বিজ্ঞানীরা। তবে সম্প্রতি হিন্দু ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী রাজৈনিতক দল হিন্দু মহাসভা করোনা ঠেকাতে গোমূত্র একমাত্র মহৌষধি বলে দাবি করেছে।

এই দাবিকে হাতিয়ার করেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে নানা ধরনের পোস্ট। সম্প্রতি এমনই এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, করোনাভাইরাসের হানা থেকে বাঁচতে আগাম সতর্কতা হিসেবে গোমূত্র পান করেছেন ভারতের প্রখ্যাত যোগগুরু বাবা রামদেব। বেশিমাত্রায় গোমূত্র পান করার কারণে বাবা রামদেব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে পোস্টে দাবি করা হচ্ছে।

দাবির স্বপক্ষে রামদেবের একটি ছবিও পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে দেখা যায়, হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন রামদেব। ছবি দেখে প্রাথমিকভাবে যোগগুরু অসুস্থ বলেই মনে হচ্ছে। তাকে ঘিরে রয়েছেন অনুগামীরাও।

ফেসবুকের বেশ কিছু অ্যাকাউন্ট থেকে একই ছবি ও দাবি পোস্ট করা হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ছবিটি আসলে ২০১১ সালের। কালো টাকার বিরুদ্ধে টানা অনশন করা রামদেব যেদিন তা প্রত্যাহার করেন, সেদিন হাসপাতালে ওই ছবি নেয়া হয়েছিল। একটানা অনশনে থাকার ফলে দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে রামদেবের গোমূত্র খাওয়ার দাবিটি সত্য নয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় একটি দৈনিক।

ইংরেজিতে Baba Ramdev Weak Hospital লিখে গুগল-সার্চ করলে দেশটির গণমাধ্যমে প্রকাশিত আসল ছবিটির সন্ধান মেলে। ওই খবর অনুযায়ী, দেরাদুনে অনশন ভাঙার পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রামদেবকে। ২০১১ সালের ১২ জুন ওই ছবিটি তোলা হয়।

এছাড়াও বাবা রামদেবের মুখপাত্র তিজারওয়ালা এসকের গত ৫ মার্চের একটি টুইট সাম্প্রতিক জল্পনায় জল ঢেলেছে। তিনি লিখেছেন, এসবই ভুয়া খবর। লজ্জারও বিষয়। সম্মাননীয় রামদেব সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। বিভিন্ন খবরের চ্যানেলকেও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। তখন থেকে বিশ্বের শতাধিক দেশে এই ভাইরাস সংক্রমণ ঘটিয়েছে এক লাখ ৪৫ হাজার ৬৯৮ জন এবং ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫ হাজার ৪৩৬ জন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status