৫ বছর বয়সী ছোট্ট শিশু আতিফুর মা ও ভাইয়ের সাথে যাচ্ছিল স্কুলে। হয়ত আজ স্কুলে নতুন কি শিখবে তা নিয়ে ভাবছিল আতিফুর। হতে পারে আতিফুরের মা ভাবছিলেন ছেলে স্কুল থেকে ফিরলে আজ ছেলের প্রিয় খাবারটি রান্না করে খাওয়াবেন। কিন্তু চট্টগ্রামের গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে রাস্তায়ই নিহত হন আতিফুরের মা ও ভাই। কপালগুণে বেঁচে যায় আতিফুর। রবিবার (১৭ নভেম্বর) এই ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে ছোট সন্তানকে কোলে নিয়ে স্ত্রীর লাশের অপেক্ষা করছিলেন অ্যাডভোকেট আতাউর। ফারজানার স্বামী অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান রাইজিংবিডিকে জানান, সকালে সন্তানদের আদর করে নিজের কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যাই। আমার স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার পথেই এই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে আসি হাসপাতালে।
বাবার কোলে অসহায় শিশুসন্তানটি তাকিয়ে আছে ফ্যালফ্যাল করে। সন্তান কোলে স্ত্রী ফারজানার জন্য আতাউরের নিরব কান্না উপস্থিত সবার চোখেই জল এনে দিয়েছে। স্ত্রীর লাশের অপেক্ষা করতে করতে এক পর্যায়ে জ্ঞান হারান আতাউর। পরে তার কাছ থেকে আর কোন তথ্য জানা সম্ভব হয়নি।