|
'স্বামীর ঘরেই ঠাঁই নেই ২২ বছরের সংসারের সঙ্গিনীর—দুই কন্যা নিয়ে দিশেহারা শাহনাজ
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() 'স্বামীর ঘরেই ঠাঁই নেই ২২ বছরের সংসারের সঙ্গিনীর—দুই কন্যা নিয়ে দিশেহারা শাহনাজ ভুক্তভোগী শাহনাজ আক্তার জানান, প্রায় দুই দশক আগে পারিবারিকভাবে আব্দুর রহিমের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। স্বামী দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকায় পুরো সংসারের দায়িত্ব একাই সামলেছেন তিনি। দুই মেয়েকে লালন-পালন করে বড় করেছেন নিজের প্রচেষ্টায়। প্রবাসে থাকা স্বামীর উপার্জনও ব্যয় হয়েছে সংসারের উন্নয়নেই। তবে সম্প্রতি আব্দুর রহিম স্থায়ীভাবে দেশে ফেরার পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি শুরু হয় বলে অভিযোগ করেন শাহনাজ। তার দাবি, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে তাকে নিয়মিত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হতো। একপর্যায়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে পিত্রালয়ে আশ্রয়াবস্থায় শাহনাজ বলেন, “২২ বছর ধরে তিলে তিলে এই সংসার গড়েছি। স্বামীর প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর আমাকে বিয়ে করেন তিনি। দুই মেয়েকে মানুষ করেছি। এখন যখন একটু শান্তিতে থাকার কথা, তখন আমাকে রাস্তায় নামিয়ে দেওয়া হলো। আমার অপরাধ কী—মেয়ে সন্তান জন্ম দেওয়া, নাকি স্বামীর প্রতি অন্ধ বিশ্বাস রাখা?” স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহনাজ একজন পরিশ্রমী ও সহনশীল নারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। হঠাৎ করে স্বামীর এমন আচরণে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান এবং শাহনাজের আইনি অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। বর্তমানে শাহনাজ তার দুই মেয়েকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং প্রয়োজনে আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বামী আব্দুর রহিমের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, হাস-মুরগী স্বর্ণ অলংকার চুরি করে বাবার বাড়ি নিয়ে যেতো স্ত্রী। সবশেষ নাবালিকা কণ্যাকে বিয়ে দেয়ার জেরে তিনি এমন কঠের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
