|
আলফাডাঙ্গায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ
আলমগীর কবির, আলফাডাঙ্গা
|
![]() আলফাডাঙ্গায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান (মডেল) পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নিজস্ব অর্থায়নে কৃতি ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দিয়ে মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তরুণ সমাজসেবক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং আসন্ন আলফাডাঙ্গা পৌরসভার জনবান্ধব মেয়র পদপ্রার্থী মুন্সি বেল্লাল হোসাইন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আজাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক মিলন কুমার সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক এ এম মুস্তাফিজুর ইসলাম, সহকারী শিক্ষক শাজাহান কবির, আবুল বাশার শেখ ও মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদের নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি জানানো হয়। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬-এ বিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হওয়ায় প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আজাদুল ইসলাম এবং শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় মো. মোজাহিদুল ইসলামকে বিশেষ শুভেচ্ছা ও সম্মাননা উপহার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও তরুণ সমাজসেবক এবং পৌর মেয়র পদপ্রার্থী মুন্সি বেল্লাল হোসাইন তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে আশার আলো ছড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের মেধা ও সাফল্যকে এগিয়ে নেওয়া আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন কেবল অর্থের অভাব কিংবা উৎসাহের অভাবে পিছিয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমি চাই, আলফাডাঙ্গার সন্তানরা লেখাপড়ায় আরও ভালো ফলাফল করে দেশ ও সমাজের মুখ উজ্জ্বল করুক।” শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “শুধু ভালো ফলাফল করলেই চলবে না; সত্যিকারের মানুষ হতে হলে নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। আজকের এই কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে সমাজ ও দেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।” সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তার এই মহতী উদ্যোগ স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অন্যান্য বক্তারা বলেন, তরুণ সমাজসেবক ও মেয়র পদপ্রার্থী মুন্সি বেল্লাল হোসাইনের মতো এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় এবং আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগায়। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক ও সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ানো এবং ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের স্বপ্ন দেখানোই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
