ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬ ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
হরমুজ খুলতে একজোট পশ্চিমারা, সেনা পাঠাবে ন্যাটো?
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Saturday, 22 August, 2026, 6:09 PM

হরমুজ খুলতে একজোট পশ্চিমারা, সেনা পাঠাবে ন্যাটো?

হরমুজ খুলতে একজোট পশ্চিমারা, সেনা পাঠাবে ন্যাটো?

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালি সচলের উপায় নিয়ে বৈঠক করেছেন ন্যাটোর শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা। বুধবার (১৯ আগস্ট) ন্যাটোর শীর্ষ কমান্ডারের মুখপাত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ন্যাটোর শীর্ষ কমান্ডার মার্কিন বিমানবাহিনীর জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকেউইচের উদ্যোগে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েকটি মিত্রদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও অংশ নেন।

তবে, বৈঠকটি চলমান সংঘাতে ন্যাটোর সরাসরি যুক্ত হওয়ার বিষয়ে ছিল না বলে জানিয়েছেন ন্যাটোর শীর্ষ কমান্ডারের মুখপাত্র।

বৈঠকে মূলত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে কোন দেশ কী ধরনের সহায়তা দিতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সম্ভাব্য এসব সহায়তা কীভাবে সমন্বয় করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয় বলে জানান ন্যাটোর শীর্ষ কমান্ডারের এই মুখপাত্র।

এছাড়া, ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোকে এক জায়গায় এনে এমন আলোচনা করার ক্ষেত্রে জোটের বিশেষ সক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করেন মুখপাত্র। সদস্য দেশগুলোর সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কেও ন্যাটোর বিস্তারিত ধারণা রয়েছে। তাই এ ধরনের আলোচনায় জোটের সহায়তা করা যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি স্পষ্ট জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়া এড়িয়ে চলতে চাইছে ন্যাটোর সদস্যরা। এর বদলে জোটের বাইরে আলাদা উদ্যোগের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে পশ্চিমা সামরিক এই জোট।

এদিকে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য আলাদাভাবে উদ্যোগ নিয়েছে। প্রায় এক ডজন দেশকে নিয়ে একটি জোট গঠনের চেষ্টা করছে তারা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা দেওয়াই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য বলে জানা গেছে।

তবে, দীর্ঘমেয়াদে এমন ব্যবস্থা কার্যকর করতে ইরানের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। কারণ হরমুজ প্রণালির একটি বড় অংশ ইরানের জলসীমার কাছাকাছি। এ নৌপথের নিরাপত্তা ও চলাচল নিয়ে ইরানের ভূরাজনৈতিক অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে, পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্যোগের পাশাপাশি ইরানের সম্মতি ছাড়া প্রণালি পুরোপুরি সচল করা সম্ভব নয় বলে মনে করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলার পূর্বে মোট বাণিজ্যিক তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। ফলে, দীর্ঘদিন এ নৌপথ বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পরে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status