|
বিসিআইসিতে ফ্যাসিস্টের দোসর সিওপি শরিফুল আলমের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() বিসিআইসিতে ফ্যাসিস্টের দোসর সিওপি শরিফুল আলমের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)-তে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পরিচয়বিহীন উড়ো চিঠি এবং ভিত্তিহীন অভিযোগে অহেতুক হয়রানি মূলক তদন্ত কমিটি গঠনে দাপ্তরিক আদেশের মাধ্যমে সরকারি অফিসের ভাবমূর্তি ও কর্ম পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগ করেন। এতে ১৯৯৩ সালের ৫ আগস্ট জারীকৃত মন্ত্রী পরিষদের একটি প্রজ্ঞাপনের সু স্পষ্ট নির্দেশনা অমান্য করেছে শরিফুল আলম । এমন অভিযোগ করেন ফোরামের নেতৃবৃন্দ। ফ্যাসিস্টের দোসর ও একজন অযোগ্য কর্মচারী প্রধান শরিফুল আলমের এমন ঔদ্ধত্য পূর্ন আচরন এবং স্বেচ্ছাচারীতা অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়ে তার বিরুদ্বে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহন পূর্বক তাকে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়েছে বিসিআইসি জাতীয়তাবাদী অফিসার্স ফোরাম’। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো: আবদুল মতিন স্বাক্ষরিত এক পত্রে বিসিআইসির চেয়ারম্যানের নিকট এই আহ্বান জানানো হয়। পত্রে বলা হয়, কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ বা নির্ভরযোগ্য উপাত্ত ছাড়াই বিসিআইসিতে পরিচয়বিহীনভাবে 'কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি' কিংবা 'কমিশন বাণিজ্য'-এর মতো বিভ্রান্তিকর অভিযোগ এনে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের দাপ্তরিক অফিস আদেশ জারি করে কর্মচারীপ্রধান শরিফুল আলম প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত করছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এসব ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত অভিযোগের ফলে সৎ, দক্ষ ও কর্মনিষ্ঠ কর্মকর্তারা অকারণে সামাজিক হ্যায় ও মানসিক চাপের মুখে পড়ছেন, যা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক গতি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলেও লিখিত আবেদনে যোগ করেন ফোরামের নেতৃবৃন্দ। ১৯৯৩ সালের ৫ আগস্ট জারি করা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্র অনুযায়ী—সুনির্দিষ্ট বিষয়, ঘটনা, সময়, স্থান, ব্যক্তির পরিচয় এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ বা দলিল ব্যতীত কোনো বেনামী, নামবিহীন বা ঠিকানাবিহীন আবেদনপত্রের ওপর কোনো তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না মর্মে সকল দপ্তরে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। ফোরামের নেতৃবৃন্দ বলেন, বিসিআইসির কর্মচারী প্রধান শরিফুল আলম মন্ত্রী পরিষদের উক্ত নির্দেশনা বীরদর্পে অমান্য করেন। শরিফুল আলমের স্বেচ্ছা চারিতা ও সীমাহীন অনিয়ম দূর্নীতির বিষয়ে সরজমিনে খোঁজ খবর নিয়ে জানাযায়, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের জনৈক কর্মকর্তার ভাই চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানার কর্মচারী আরিফ এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রভাব খাটিয়ে ও নাম ভাঙ্গিয়ে বিসিআইসিতে শরিফুল আলম আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে নিয়োগ ও বদলিতে অনিয়ম দূর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারীতার এককচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করার ব্যাপক অভিযোগ পাওয়া গেছে। একইভাবে পতিত সৈরাচার আওয়ামী লীগের আমলেও শরিফুল আলম দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিসিআইসিতে দাপট খাটিয়ে তার একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করেছিল বলে বিসিআইসির কর্মকর্তাগন অভিযোগ করেন। আওয়ামীলীগের বিভিন্ন দলীয় কর্মকান্ডের সাথে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত ও অর্থদাতা ফ্যাসিস্টের দোসর শরিফুল আলম বর্তমানে জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসী কর্মকর্তাদের ওপর সৈরাচার আমলের মতই নির্যাতন ও হয়রানী চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তার অবৈধ দাপটের যন্ত্রনায় অতিষ্ট বিসিআইসির কর্মকর্তারা জানান, ফ্যাসিস্টের এজেন্ট হিসেবে সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন শরিফুল আলম। সরকারি পরিপত্রের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের অনুরোধ জানিয়ে তারা বলেন, সরকারি বিধি-বিধান মেনে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাদিহিতা ও কর্মবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে অজ্ঞাতনামা ও ভুয়া অভিযোগের নামে ফোরামের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্বে গঠিত তদন্ত কমিটি গঠনের দপ্তর আদেশ প্রত্যাহার করতে হবে। এমন আবেদন জানান জাতীয়তাবাদী ফোরামের নেতৃবৃন্দ। তার সাথে মিথ্যা অভিযোগের উড়ো চিঠি গ্রহন বন্ধ করতে হবে। এতে করে মিথ্যা অভিযোগকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তির মুখোমুখি করা এবং সৎ কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে। তার সাথে বিসিআইসির বিনস্ট হওয়া কর্ম পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে। বিসিআইসির দূর্নীতিবাজ কর্মচারী প্রধান শরিফুল আলমের ক্ষমতার দাপটে ফ্যাসিস্টের আমলে অবৈধ নিয়োগ ও বদলী বানিজ্য ও ভুয়া ভ্রমন দেখিয়ে সরকারি অর্থ তসরুপ করে নিজ এলাকায় কুড়িগ্রামে বিলাসবহুল বানিজ্যিক রিসোর্ট নির্মানের সচিত্র প্রতিবেদন এবং কেপিএমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কর্মচারী ও নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ ও বদলি বানিজ্যের ভুক্ত ভোগীদের সাক্ষাতকারসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশ করা হবে। অভিযোগের বিষয়ে শরিফুল আলমের সাথে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
