ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট ২০২৬ ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মজুদের তিন চতুর্থাংশ শেষ, ১৫০ কূপে কতটা ঘুচবে গ্যাসের সংকট?
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Tuesday, 18 August, 2026, 12:35 PM

মজুদের তিন চতুর্থাংশ শেষ, ১৫০ কূপে কতটা ঘুচবে গ্যাসের সংকট?

মজুদের তিন চতুর্থাংশ শেষ, ১৫০ কূপে কতটা ঘুচবে গ্যাসের সংকট?

দেশে গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে, বিপরীতে পুরোনো ক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমছে। এই দুইয়ের চাপে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে সরবরাহ ঠিক রাখতে বাড়ছে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির ওপর নির্ভরতা।

এ পরিস্থিতিতে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ২৯টির কাজ শেষ হয়েছে।

এসব কূপ থেকে দৈনিক ২৭০ দশমিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সংস্থান নিশ্চিত হয়েছে বলে সাম্প্রতিক সংসদে জানানো হয়েছে; জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে বাড়তি ১৩৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন ঘনফুট।

কর্মসূচির বাকি অংশ বাস্তবায়িত হলে দেশীয় উৎপাদন বাড়বে—এমন প্রত্যাশা সরকারের। কিন্তু প্রশ্ন থাকছে, নতুন কূপ থেকে যে গ্যাস পাওয়া যাবে, তা কি পুরোনো ক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমে যাওয়ার ঘাটতি পুষিয়ে চাহিদা মেটানোর মত পর্যাপ্ত হবে?

গ্যাসের ঘাটতি সামলাতে বাংলাদেশকে একই সময়ে এলএনজি আমদানিও বাড়াতে হচ্ছে। ২০২৫ সালে ১০৯টি এলএনজি কার্গো আমদানিতে প্রায় ৩ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে, যা আগের বছরের ৮৬টি কার্গোর জন্য ব্যয় করা ৩ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৮৫৫ দশমিক ৪২ মিলিয়ন ডলার বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেড়শ কূপের কর্মসূচি সফল হলে দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ বাড়বে। কিন্তু এ সাফল্য দিয়ে গ্যাস সংকটের সমাধান কতটা হবে, তা নির্ভর করবে তিনটি বিষয়ের ওপর।

কূপগুলো থেকে প্রত্যাশিত গ্যাস কতটা বাস্তবে পাওয়া যায়, পুরোনো ক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কত দ্রুত কমবে এবং একই সময়ে দেশের গ্যাসের চাহিদা কতটা বাড়বে–তার ওপর নির্ভর করবে পুরো বিষয়টি।

পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার, সমুদ্রভিত্তিক অনুসন্ধান, বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিকল্প জ্বালানিতে রূপান্তর—সবগুলোকে সমান্তরালে এগিয়ে নিতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

উৎপাদন কমছে, চাপ বাড়ছে

হাইড্রোকার্বন ইউনিটের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ওই বছরে দেশে গ্যাস উৎপাদন হয়েছে ৬৯৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন ঘনফুট। দৈনিক গড় উৎপাদন ছিল ১ হাজার ৯০৭ দশমিক ১২ মিলিয়ন ঘনফুট।

আগের অর্থবছরে উৎপাদন ছিল ৭৪৭ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট এবং দৈনিক গড় ২ হাজার ৪৮ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ঘনফুট।

অর্থাৎ এক বছরে দৈনিক গড় উৎপাদন কমেছে ১৪১ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ঘনফুট।

দেশীয় এ উৎপাদন কয়েকটি বড় ক্ষেত্রের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিবিয়ানা, তিতাস, জালালাবাদ ও হবিগঞ্জ—এই চারটি ক্ষেত্র থেকে মোট দৈনিক উৎপাদনের ৮১ শতাংশ এসেছে।

এই নির্ভরতার অর্থ, পুরোনো বড় ক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমলে তার প্রভাব সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থায় দ্রুত পড়ে। নতুন কূপ খননের অন্যতম লক্ষ্য তাই শুধু নতুন গ্যাস পাওয়া নয়; পুরোনো ক্ষেত্রের পতনশীল উৎপাদনের বিপরীতে দেশীয় সরবরাহ ধরে রাখা।

১৫০ কূপে কতটা গ্যাস?

১৫০ কূপের কর্মসূচির ২৯টির কাজ শেষ হওয়ার পর সরকার বলছে, এসব কূপ থেকে দৈনিক ২৭০ দশমিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৩৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন ঘনফুট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

অর্থাৎ সম্ভাব্য সংস্থান ও বাস্তবে গ্রিডে আসা গ্যাসের মধ্যে এখনও বড় ব্যবধান রয়েছে।

আরও কূপের কাজ চলছে। এগুলো সফল হলে সরবরাহ বাড়বে। ১৫০ কূপের পুরো কর্মসূচি শেষ হলে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৪০১ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস উৎপাদনের আশা করছে সরকার।

তবে এই সংখ্যাকে বর্তমান গ্যাস ঘাটতির সঙ্গে সরাসরি তুলনা করে ঘাটতি দূর হওয়ার হিসাব করা যাবে না। কারণ, কর্মসূচির পুরো সময়জুড়েই বিদ্যমান ক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমতে থাকবে এবং গ্যাসের চাহিদাও বাড়বে।

সরকারের সাম্প্রতিক হিসাবেও ২০টি উৎপাদনশীল গ্যাসক্ষেত্র থেকে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৬৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপের খনন ও ওয়ার্কওভার শেষ করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে।

বাপেক্সের সক্ষমতা বড় প্রশ্ন

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৫০ কূপের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে পেট্রোবাংলার গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন প্রতিষ্ঠান। বাপেক্স ছাড়াও বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ঠিকাদারি কোম্পানি এ কাজে যুক্ত থাকবে।

তবে কর্মসূচির গতি অনেকটাই নির্ভর করবে বাপেক্সের কারিগরি ও সরঞ্জাম সক্ষমতার ওপর।

বর্তমানে এ সংস্থার পাঁচটি রিগ রয়েছে। এগুলো হলো বিজয়-১০, বিজয়-১১, বিজয়-১২, বিজয়-১৮ ও আইপিএস-১।

আরও দুটি রিগ কেনার উদ্যোগ চলছে—একটি ২ হাজার হর্সপাওয়ার এবং অন্যটি ১ হাজার ৫০০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতার।

সরকারের হিসাবে, দুটি নতুন রিগ যুক্ত হলে বাপেক্সের রিগের সংখ্যা সাতটিতে দাঁড়াবে এবং একই সময়ে আরও বেশি কূপ খননের সুযোগ তৈরি হবে। ২ হাজার হর্সপাওয়ারের রিগ কেনার দরপত্র মূল্যায়নের কাজ চলছে।

বাপেক্সের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, শুধু রিগ বাড়ালেই হবে না; দক্ষ জনবল, আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দরকার।

তার মতে, এসব সক্ষমতা বাড়ানো গেলে কূপ খননের গতি বাড়ানো সম্ভব হবে। নতুন রিগের মাধ্যমে একসঙ্গে বেশি কূপে কাজ করার সুযোগও তৈরি হবে।

নতুন কূপের কাজ কোথায়

নোয়াখালীর সেনবাগে সুন্দরপুর-৪ কূপের খনন জুলাইয়ের শেষে শুরু করেছে বাপেক্স। ১ হাজার ৫৫০ মিটার গভীর এই কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করছে সংস্থাটি।

এ ছাড়া বেগমগঞ্জ-৫, বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২ কূপ খননের জন্য ৭২৯ কোটি ২২ লাখ টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তিনটি কূপ সফল হলে দৈনিক প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

বেগমগঞ্জের দুটি কূপ বাপেক্সের নিজস্ব রিগে খননের পরিকল্পনা রয়েছে। আর ৫ হাজার ৩০০ মিটার গভীর সুনেত্র-২ কূপের কাজ ঠিকাদারি কোম্পানির মাধ্যমে করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অন্যদিকে স্থলভাগের পাশাপাশি সমুদ্রেও অনুসন্ধান বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৬ সালের অফশোর বিডিং রাউন্ডে ২৬টি ব্লকে—১৫টি গভীর সমুদ্র ও ১১টি অগভীর সমুদ্র ব্লক—তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এলএনজি নির্ভরতা কমানোর সুযোগ কতটা?

দেশীয় উৎপাদন কমার বিপরীতে এলএনজি আমদানি বাড়ছে। ২০২৫ সালে ১০৯টি কার্গোর জন্য প্রায় ৩ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের হিসাবটি সেই নির্ভরতার আর্থিক চাপও দেখায়।

এ বছর সেই চাপ আরও স্পষ্ট হয়েছে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে। কাতারএনার্জি ২০২৬ সালে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত এলএনজি সরবরাহ অর্ধেকে নামিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির কার্গো না আসায় মার্চ থেকে বাংলাদেশকে স্পট মার্কেট থেকে ৩৫ কার্গো এলএনজি কিনতে হয়েছে।

মার্চে কেনা দুটি কার্গোর দাম ছিল প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে ২৮ দশমিক ২৮ ডলার ও ২৩ দশমিক ০৮ ডলার। জানুয়ারিতে একই বাজারে এলএনজির দাম ছিল প্রায় ১০ ডলার।

আমদানি করা গ্যাসের অবকাঠামোর ঝুঁকিও জুলাইয়ে সামনে এসেছে। মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুনের পর জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়।

ফলে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়টি এখন শুধু আমদানি ব্যয় কমানোর প্রশ্ন নয়; সরবরাহ নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।

এলএনজি আমদানির মূল্য পরিশোধে পেট্রোবাংলাকে সহায়তা দিতে বিশ্ব ব্যাংক ২০২৫ সালে ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছিল। গত মে মাসে আরও ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করা হয়।

এই অর্থ দিয়ে পেট্রোবাংলার এলএনজি আমদানির মূল্য পরিশোধে ঋণপত্রের নিশ্চয়তা ও স্বল্পমেয়াদি ঋণ সহায়তা দেওয়ার কথা বলা হয়।

শুধু কূপ খননেই সমাধান?

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের বাংলাদেশবিষয়ক প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম মনে করেন, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানো এখন জরুরি হলেও একে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখতে হবে।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “পৃথিবীর সব দেশই নিজেদের জ্বালানি উৎস কাজে লাগাতে চায়। বাংলাদেশেও নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ থাকলে সেটি কাজে লাগানো উচিত।”

তার মতে, এলএনজির ওপর নির্ভরতা বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওঠানামার ঝুঁকিও বাড়বে। তাই নতুন করে এলএনজি আমদানির আগে এর ব্যয় ও সুবিধার পূর্ণ হিসাব করা প্রয়োজন।

বাড়তি আর্থিক চাপ বাংলাদেশ বহন করতে পারবে কি না, সেটাও দেখতে হবে। সরবরাহ করা মোট গ্যাসে এলএনজির অংশ ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার প্রভাব সরাসরি গ্রাহক ও শিল্পের ওপর পড়বে বলে মনে করেন তিনি।

শফিকুলের হিসাবে, প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট এলএনজি ২২ থেকে ২৩ ডলারে কিনতে হলে শিল্পের জন্য প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের ব্যয় ১০০ টাকার কাছাকাছি যেতে পারে।

তিনি বলেন, গত এক দশকের বেশি সময়ে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে প্রয়োজন অনুযায়ী বিনিয়োগ হয়নি। নতুন আবিষ্কার ও উৎপাদন না বাড়ায় বাংলাদেশ আমদানির দিকে গেছে। মহামারী, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকট এবং টাকার দরপতন আমদানিনির্ভরতার আর্থিক ঝুঁকি আরও স্পষ্ট করেছে।

শফিকুলের মতে, বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনে বিদেশি প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞ সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে যে অর্থ ব্যয় হবে, তা এলএনজি আমদানির দীর্ঘমেয়াদি ব্যয়ের সঙ্গে তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার।

তবে গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্পও বিবেচনায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।

এই বিশ্লেষক বলছেন, সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি ব্যবহারের ব্যয় কমে আসায় শিল্পে এগুলোর ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তবে গ্যাসনির্ভর শিল্পকে সঙ্গে সঙ্গে পুরোপুরি বিদ্যুৎনির্ভর করা সম্ভব নয়। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

তার মতে, ভবিষ্যতে গ্যাসচালিত বয়লারের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক বয়লার ও হিট পাম্পের মত প্রযুক্তিতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। হিট পাম্প হল বিদ্যুৎ ব্যবহার করে শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তাপ তৈরির প্রযুক্তি।

নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির আঞ্চলিক সহযোগিতাও গ্যাসের চাহিদা কমাতে পারে বলে মনে করেন শফিকুল।

তার মতে, দেশকে আগামী ১০, ২০ ও ৩০ বছরের জন্য পৃথক জ্বালানি পরিকল্পনা করতে হবে। দেশীয় গ্যাস, নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ, বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার এবং আঞ্চলিক সহযোগিতাকে একই পরিকল্পনায় আনতে হবে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status