|
সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামকে পাঁচটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার
ইয়ারব হোসেন, সাতক্ষীরা
|
![]() সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামকে পাঁচটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মোঃ নজরুল ইসলাম(৭৩) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার উত্তর ফিংড়ি গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে ও সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সর্বশেষ চেয়ারম্যান ছিলেন। আদালত চত্বরে তার পরিবারের সদস্যরা জানান, সম্প্রতি তিনি গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তার ওপেন হার্ট সার্জারী করানো হয় এবং তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। সাতক্ষীরা আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই নজরুল ইসলামকে ঢাকার বসুন্ধরা এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে ঢাকার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পরদিন আদালতে পাঠায়। পরবর্তীতে তাকে সাতক্ষীরা থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারের জন্য সাতক্ষীরায় আনা হয়। এসব মামলার মধ্যে তাকে ২০১৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পুরাতন সাতক্ষীরার আবির হাসানকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যার পর শ্যামনগরের মালঞ্চ নদীর চরে ফেলে রাখার অভিযোগে দায়ের করা মামলা, ২০২০ সালের ২৬ মার্চ ধুলিহরের অহিদ হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলা, ২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর গভীর রাতে সাতক্ষীরার আগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আনারুল ইসলামকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে শিকড়ি কুলবাগানে গুলি করে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলা, ২০১৪ সালের ১৩ জুন গভীর রাতে সদর উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের ইসলাম মোড়লকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মাধবকাটিতে গুলি করে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলা এবং ২০১৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে বিএনপি-জামায়াতের হরতাল চলাকালিন ঝাউডাঙা বাজারে গোবিন্দকাটি গ্রামের ভ্যানচালক হাফিজুর রহমানকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পরবর্তী আদালতের মাধ্যমে থানায় দায়েরকৃত পাঁচটি হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য গত বুধবার সাতক্ষীরার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে সংশ্লিষ্ঠ মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তারা আবেদন জানান। সে অনুযায়ি গত বৃহষ্পতিবার ঢাকার কারাগার থেকে তাকে সাতক্ষীরা কারাগারে আনা হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় তাকে সাতক্ষীরা কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। দুপুর ১২টার দিকে তাকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হলে অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস ম-ল তাকে পাঁচটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন। একইসাথে তার আইনজীবীরা আদালতে চারটি মামলায় জামিন আবেদন জানালে শুনানী শেষে সব কটি মামলায় জামিন আবেদন না’মঞ্জুর করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আদালতের পুলিশ উপপরিদর্শক মাজেদুল ইসলাম।আসামীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাড. সাহেদসহ ২৫/৩০ জন। সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মঈনউদ্দিন জানান, আসামী মোঃ নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন না’মঞ্জুর হওয়ার পর সোমবার দুপুর একটার দিকে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
