ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
পাসের হারে বড় ধস: এসএসসি পরীক্ষায় কেন এই ভরাডুবি?
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Monday, 10 August, 2026, 6:13 PM

পাসের হারে বড় ধস: এসএসসি পরীক্ষায় কেন এই ভরাডুবি?

পাসের হারে বড় ধস: এসএসসি পরীক্ষায় কেন এই ভরাডুবি?

আজ সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও সমমান (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে গত কয়েক বছরের তুলনায় পাসের হারে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। পরীক্ষার্থীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের অকৃতকার্য হওয়ার এ ঘটনা দেশজুড়ে অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

ফল বিশ্লেষণের পর এই ভরাডুবির পেছনে বেশ কয়েকটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছেন শিক্ষাবিদরা:

গণিত ও ইংরেজিতে দুর্বলতা: ফলাফলে দেখা গেছে, অধিকাংশ শিক্ষার্থী গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। গ্রামাঞ্চলের স্কুলগুলোতে বিষয়ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষকের অভাব এবং নিয়মিত অনুশীলনের ঘাটতি এর মূল কারণ।

প্রশ্নপত্রের ধরণ ও কঠিন মূল্যায়ন: এ বছর খাতা মূল্যায়নে তুলনামূলক কঠোর নীতি অনুসরণ করা হয়েছে। উত্তরপত্রে গড়পড়তা নম্বর দেওয়ার সুযোগ কম থাকায় এবং সৃজনশীল অংশের সঠিক উত্তর না হওয়ায় অনেকেই কাঙ্ক্ষিত নম্বর পায়নি।

করোনা-পরবর্তী শিখন ঘাটতি: মহামারীর সময়ের শিক্ষার যে বড় ক্ষতি হয়েছিল, তা পুরোপুরি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। মৌলিক ভিত দুর্বল থাকায় উচ্চতর শ্রেণীতে এসে শিক্ষার্থীরা সিলেবাসের সাথে মানিয়ে নিতে হিমশিম খেয়েছে।

স্মার্টফোনের আসক্তি ও মনোযোগের অভাব: দীর্ঘ সময় সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন গেমসে ব্যস্ত থাকার ফলে পাঠ্যবইয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা ও পড়ার টেবিলে সময় দেওয়ার অভ্যাস আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে।

শিক্ষাবিদদের মতে, কেবল জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক পড়ালেখার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতার ওপর জোর দিতে হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতে জরুরি ভিত্তিতে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ করা প্রয়োজন।

পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে এই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধ করতে হলে এখন থেকেই শ্রেণী কক্ষে কার্যকর পাঠদান ও নিয়মিত মূল্যায়নের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

২০২১ সালে ৯৩% 

গত ছয় বছরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে। ২০২১ সালে যেখানে গড় পাসের হার ছিল ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ, ২০২৬ সালে তা নেমে এসেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। অর্থাৎ ছয় বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৩১ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

২০২১ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২২ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করে ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪৬ জন। ওই বছর গড় পাসের হার ছিল ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পায় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ জন।

পরের বছর ২০২২ সালে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করে ১৭ লাখ ৪৩ হাজার ৬১৯ জন। গড় পাসের হার কমে দাঁড়ায় ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশে। তবে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জনে দাঁড়ায়, যা ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

২০২৩ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ২০ লাখ ৪১ হাজার ৪৫০ জন। পাস করে ১৬ লাখ ৪১ হাজার শিক্ষার্থী। ওই বছর গড় পাসের হার আরও কমে ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশে নেমে আসে। জিপিএ-৫ পায় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭৮ জন।

২০২৪ সালে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন। জিপিএ-৫ পায় ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। ওই বছর গড় পাসের হার কিছুটা বেড়ে ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ হয়।

তবে ২০২৫ সালে আবার বড় ধরনের পতন দেখা যায়। ওই বছর মোট ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। গড় পাসের হার নেমে আসে ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশে। জিপিএ-৫ পায় ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন।

২০২৬ সালে ৬২%: ছয় বছরে এসএসসিতে পাসের হার কমেছে ৩১%

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এ বছর গড় পাসের হার আরও কমে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আখতারুজ্জামান বলেন, 'কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ২০২১ সালে পাসের হার ছিল প্রায় ১০০ শতাংশ, এবার তা নেমে এসেছে ৬৫ শতাংশে।'

তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, পাসের হার কমলেও এবারের ফলাফল তুলনামূলকভাবে বেশি বাস্তবসম্মত। প্রথমবার পুরো পরীক্ষা প্রক্রিয়া সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে কঠোর নজরদারি করা হয়েছে।  শিক্ষামন্ত্রীর সরাসরি তদারকির পাশাপাশি অসদুপায় ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। ফলে নিয়মিত পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীরা ভালো করার সুযোগ পেলেও প্রস্তুতিতে ঘাটতি থাকা শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সমস্যায় পড়েছে। 

শিক্ষাবিদ ড. মনজুর আহমেদ বলেন, 'এর পেছনে দুটি কারণ থাকতে পারে। বিশেষ তদারকি ও মানোন্নয়নের উদ্যোগ যেমন একটি কারণ হতে পারে, তেমনি স্কুলে পড়াশোনার সুযোগ ও পরিবেশের সমস্যাও এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।'

তিনি বলেন, 'পরীক্ষার ফলাফল কতটা নির্ভরযোগ্য, তা বুঝতে প্রতিবছরের ফলাফল পর্যালোচনা করে কারণগুলো বিশ্লেষণ করতে হবে। শিক্ষার্থী মূল্যায়নের ক্ষেত্রে গবেষণা প্রয়োজন হলেও বাংলাদেশে এ ধরনের গবেষণা নিয়মিত হয় না।'

তিনি আরও বলেন, 'পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা, তদারকি এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগের পার্থক্যগুলো পর্যালোচনা না করে শুধু পাসের হার কমেছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। কারণগুলো তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করেই এ পতনের প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করতে হবে।'

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২১ এপ্রিল শুরু হয়ে ২০ মে পর্যন্ত চলে। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ২০ জুলাই এসএসসির ফলাফল প্রকাশের কথা ছিল, কিন্তু প্রস্তুতি শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাসের হার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

পাসের হারের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এরপর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

এ ছাড়া দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।

অন্যদিকে, ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে কম পাসের হার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

মানবিক বিভাগে প্রতি ১০০ ছাত্রে ফেল ৫৯ জন

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে ছেলেদের ফলাফলে বড় ধরনের অবনমন দেখা গেছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মানবিক বিভাগে ছাত্রদের পাশের হার ৪১ দশমিক ১৪ শতাংশ। অর্থাৎ এই বিভাগে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতি ১০০ জন ছাত্রের মধ্যে প্রায় ৫৯ জনই পাশ করতে পারেনি।

সোমবার প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তিনটি বিভাগের মধ্যে মানবিকেই ছাত্রদের পাশের হার সবচেয়ে কম। এ বিভাগে ছাত্রীদের পাশের হার অবশ্য তুলনামূলকভাবে বেশি—৫৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। অর্থাৎ মানবিক বিভাগে ছাত্রীদেরও প্রতি ১০০ জনে প্রায় ৪৬ জন পাশ করতে পারেনি।

মানবিক বিভাগের ছাত্র ও ছাত্রীদের পাশের হারের ব্যবধান ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশীয় পয়েন্ট। অর্থাৎ একই বিভাগে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো ফল করেছে। 

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, মানবিকের তুলনায় বিজ্ঞান বিভাগে ফলাফল অনেক ভালো। বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রদের পাশের হার ৭৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৮৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ছাত্রদের পাশের হার ৫৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ, আর ছাত্রীদের ৬৯ দশমিক ৯২ শতাংশ।

অর্থাৎ সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর তিন বিভাগেই ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে থাকলেও মানবিক বিভাগে ব্যবধান সবচেয়ে বেশি। একই সঙ্গে ছাত্রদের পাশের হারও এই বিভাগে সবচেয়ে কম।

সামগ্রিক ফলাফলেও এবার পাশের হার কমেছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাশের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে এক বছরের ব্যবধানে পাশের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশীয় পয়েন্ট।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে এবার সবচেয়ে বেশি পাশের হার ঢাকা বোর্ডে—৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এরপর যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

সার্বিকভাবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পাশের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে সার্বিক পাশের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশীয় পয়েন্ট। 

এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। ফলে এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

ফলাফলের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, পাশের হারে মানবিক বিভাগের ছাত্রদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে থাকলেও তিন বিভাগেই মেয়েদের পাশের হার বেশি। ফলে এবারের ফলাফলে মানবিক বিভাগে ছাত্রদের কম পাশের হার এবং ছেলে-মেয়েদের ফলাফলের বড় ব্যবধান বিশেষভাবে নজরে এসেছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status