|
৭ মাসেও ঘরে ফেরা হয়নি আলাউদ্দিন গংদের, জামিনের পরও গ্রামে প্রবেশে বাধার অভিযোগ
ত্বোহা হাসান ভূঁইয় স্বাধীন, নাঙ্গলকোট
|
![]() ৭ মাসেও ঘরে ফেরা হয়নি আলাউদ্দিন গংদের, জামিনের পরও গ্রামে প্রবেশে বাধার অভিযোগ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তারা বৈধভাবে জামিনে মুক্ত থাকা সত্ত্বেও নিজ বাড়িতে ফিরতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। তাদের ভাষ্য, একই মামলার অপর একটি পক্ষের লোকজন গ্রামে অবস্থান করতে পারলেও তাদের থাকতে দেওয়া হচ্ছে না। এ বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে গেলে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি এখানে তিনজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করতে এসেছি। অন্য কোনো সমস্যা নেই।” তবে ভুক্তভোগীদের দাবি ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, পুলিশ তাদের বলেছেন, “আপনারা এখানে থাকতে পারবেন না। থাকতে হলে এমপি সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, দক্ষিণ আলিয়ারা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ একটি চক্র প্রকাশ্যে লুটপাট ও ভাঙচুর চালিয়ে যাচ্ছে। এতে ইতোমধ্যে ২০০টিরও বেশি পরিবারের বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু ঘরের আসবাবপত্র নয়, প্রায় ৩০টিরও বেশি বাড়ির গ্রিল, দরজা, জানালা ও গেট কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এলাকাবাসী জানান, মামুন, জিয়া, জীবন, ওবায়েদুল হক, কামাল, শেখ ফরিদ, সজিব, মুন্না, রিংকা, ইউসুফ, ফখরুলসহ ৭০-৮০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত। তাদের দাবি, একটি প্রভাবশালী পক্ষের ছত্রছায়ায় এসব ঘটনা ঘটছে। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এমন ঘটনা চললেও কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বাধ্য হয়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। ফলে গ্রামটি প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে। একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, “বারবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি। অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কার্যকর কোনো প্রতিকার পাইনি। নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে মানবেতর জীবন কাটাতে হচ্ছে।” এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। অন্যদিকে, নাঙ্গলকোট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শাহীনুর আলম বলেন, এ মামলায় অজ্ঞাতনামা ৭০-৮০ জনের নাম রয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে আনা হয়েছে। পুলিশের আঘাতে ৪জন আহতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন কোন ঘটনা ঘটে নি। এটি মিথ্যা। আলিয়ারা গ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে, যারা প্রবেশ করেছেন তারা চলে গিয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
পর্যটন, তথ্যপ্রযুক্তি ও রিয়েল এস্টেট খাতে অপার সম্ভবনাময় অতিথি গ্রুপ
কুড়িগ্রামে অতি উচ্চমাত্রার ক্রিস্টাল মেথ আইস মাদকসহ ১ ব্যক্তি আটক
পাইকগাছায় বিএনপির বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্পে সেবা নিলেন ৩ হাজার, ৫ শতাধিক রুগীর ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা
কয়রা-পাইকগাছার উন্নয়নে ৩ কোটি টাকার বরাদ্দ দেয়ার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়, এ অঞ্চলে সর্বাধিক বরাদ্দ দেয়ার অঙ্গিকার
