|
পল্লবীর রামিসা হত্যা রায়: স্বপ্নার পরিবার বিচার চায় ও সোহেলের পরিবারের মিশ্র প্রতিক্রিয়া
মোঃ আবু রাসেল, সিংড়া
|
![]() পল্লবীর রামিসা হত্যা রায়: স্বপ্নার পরিবার বিচার চায় ও সোহেলের পরিবারের মিশ্র প্রতিক্রিয়া রবিবার (৭ই জুন) দুপুরে রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর হত্যাকারি সোহেলের নিজ এলাকায় নাটোরের সিংড়ার মহেশচন্দ্রপুর গ্রামের মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেন। এদিন দুপুরে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত সোহেলের বাড়িতে গিয়ে অনান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক অবস্থা দেখা যায়। দুপুরে পরিবারের সদস্যদের নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আজ সোহেলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার রায়ের কথা তারা জানতেন না। স্থানীয় লোকজন তাদের বাড়ি এসে রায় ঘোষণার কথা জানান। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সোহেলের বোন জলি বেগম বলেন, আমার ভাইয়ের ফাঁসি হবে এটা আমরা ধারণা করেছিলাম। ফাঁসির রায় আমরা মেনে নিছি। আমাদের সামর্থ্য থাকলে আপিল করতাম। সোহেলের পিতা জাকির হোসেন ও সোহেলের মা সাজেদা বেগম বলেন, আমরা এতোটাই গরীব যে আপিল করার মতো টাকা আমার নাই। সরকার আইনজীবী দিলে আমরা আপিল করব। স্বপ্নার বাবা জিয়াদুল বলেন, এ ঘটনা মেনে নেয়ার মত না। আমি মেয়েকে আগেই ত্যজ্য করেছিলাম। মেয়ের এই রায়ে আমি খুশি। বিচার বাস্তবায়ন হোক। কোনো আপিল পরিবার থেকে করবো না। প্রতিবেশী আবুবক্কর ও আবু সাইদ বলেন, স্বপ্নার কপালে শনি পড়েছে। সোহেল তার তৃতীয় স্বামী। বাবা মার অমতে তাকে বিয়ে করার পর তার সাথে পরিবারের সম্পর্ক আর ছিলো না। সঙ্গ দোষে লোহা ভাষে তেমনি স্বপ্না এমন ঘটনায় জড়িত হয়েছে। সোহেলের মত খারাপ ছেলের সাথে বিয়ে হওয়ায় তার কাল হয়েছে। আমরা তাদের দুজনের শাস্তি চাই। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত সোহেলের রয়েছে কলঙ্কিত অতীত। এলাকাতে পরকীয়া, চুরি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ নানা অসামাজিক কাজে লিপ্ত ছিলেন তিনি। চার বছর আগে স্ত্রী স্বপ্নাকে নিয়ে সিংড়া ছেড়ে ঢাকায় আসে সোহেল। উল্লেখ্য, ১৯ মে পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় ঘোষণা শুরু করেন এবং ১১টা ৩৫ মিনিটে রায় পড়া শেষ করেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
