নাটোর জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত গুরুদাসপুরের ফাহমিদা আফরোজ
টি. এম. শাহাবুদ্দিন স্বাধীন
প্রকাশ: Thursday, 4 June, 2026, 2:55 PM
নাটোর জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত গুরুদাসপুরের ফাহমিদা আফরোজ
নাটোর জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা- ইউএনও হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গুরুদাসপুর উপজেলার ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ। তাঁর এই অর্জনে আনন্দ ও গর্বে উচ্ছ্বসিত গুরুদাসপুরের সর্বস্তরের মানুষ।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনিক দক্ষতা, সততা, স্বচ্ছতা ও মানবিক নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। মাদকবিরোধী অভিযান, সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আনা এবং জনগণের সমস্যা দ্রুত সমাধানে তাঁর কার্যকর উদ্যোগ ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
উপজেলার ভূমি ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি একজন দায়িত্বশীল ও কর্মমুখী প্রশাসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ফাহমিদা আফরোজ প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে আস্থার শক্তিশালী সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ-অনুযোগ শুনে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর আন্তরিকতা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
উপজেলার শিক্ষাবিদ, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, ইউএনও হিসেবে তিনি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; বরং সুশাসন, উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে গুরুদাসপুরে সরকারি সেবার মান উন্নত হয়েছে এবং জনভোগান্তি অনেকাংশে কমেছে।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, কর্মদক্ষতা, নিষ্ঠা ও জনসেবার প্রতি গভীর অঙ্গীকারের কারণে ফাহমিদা আফরোজ ভবিষ্যতেও সাফল্যের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করবেন। নাটোর জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর এখন রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়েও তিনি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবেন—এমন প্রত্যাশা করছেন গুরুদাসপুরবাসী।
গুরুদাসপুরের মানুষের মতে, তাঁর সম্ভাব্য বিভাগীয় সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জনই হবে না; এটি উপজেলার উন্নয়নযাত্রা ও প্রশাসনিক সক্ষমতারও উজ্জ্বল স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হবে। তাই বিভাগীয় পর্যায়ের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে পুরো গুরুদাসপুর, অপেক্ষায় রয়েছে আরও একটি সুখবরের।