|
বাকৃবির কৃষিকন্যা হলে সিলিং ভেঙে কক্ষে প্রবেশ, টাকা চুরির অভিযোগ
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() বাকৃবির কৃষিকন্যা হলে সিলিং ভেঙে কক্ষে প্রবেশ, টাকা চুরির অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানান,রাত আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ আমি রিডিং রুম থেকে ফিরেছিলাম। দরজায় তালা খুলতে গিয়ে দেখি ভেতর থেকে দরজার সিটকিনি ভেতর থেকে আটকানো। অথচ রুমে তখন আমাদের কোনো রুমমেট ছিল না। ভেতর থেকে কেন দরজা বন্ধ থাকবে তখন জানালা দিয়ে তখন চোরকে দেখতে পাই।আমাকে দেখা মাত্র চোরটি সিলিংয়ের পথ দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। আমার চিৎকার শুনে তখন আশপাশের সবাই ছুটে আসে। পরে আমরা রুমে ঢুকে দেখি, আমাদের প্রায় ৪ হাজার টাকা আর আইডি কার্ডসহ দুইটা ব্যাগ নিয়ে চোর পালিয়ে গিয়েছে। তিনি আরও বলেন,পুরো ঘটনায় আমরা এখনো আতঙ্কে আছি। আমাদের প্রশ্ন হলো, একটা মেয়েদের হলে তালাবদ্ধ রুমেও যদি এভাবে সিলিং ভেঙে চোর ঢুকে পড়ে, তবে আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? হলের ভেতর আমাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বলতে তো আর কিছুই থাকল না। প্রশাসনের কাছে আমার একটাই দাবি একজন মেয়ে হয়ে হলের ভেতর আমরা কীভাবে নিরাপদ থাকব, সেটা আগে নিশ্চিত করা হোক। একই ব্লকে অবস্থানকারী আরেক শিক্ষার্থী বলেন,ঈদের ছুটিতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী আগে বাসায় চলে যায় আমার বাস দেরিতে হওয়ায় আমি সহ আরও প্রায় ৭ জন শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করছিলাম। সে সময় সকাল প্রায় ১০টার দিকে খ-১৫ নম্বর রুমের ওয়াশরুমের জানালা দিয়ে মানুষের মতো কাউকে দেখতে পাওয়া যেত । বিষয়টি হলের কর্মীদের জানানো হলে তারা দ্রুত আসেন। তবে কাউকে দেখতে পাননি।সেই সময় হলে কোনো পুরুষ কর্মচারী উপস্থিত না থাকায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এটিকে অন্য কোনো প্রাণী হতে পারে বলে ধারণা করি।কিন্তু আজকের এই ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং আমাদের হলের সিট একটি নিরাপদ স্থানে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। এ বিষয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেন,'হলের নির্মান কাজ চলমান সেখানে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী সংখ্যা অনেক কম আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।কিন্তু আজকের এই ঘটনাটি সম্পূর্ন অনাকাঙ্ক্ষিত। এটি পরিকল্পিত কোনো ঘটনা হতে পারে অথবা কোনো নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি সুযোগ বুঝে এই কাজ করেছে বলে অনুমান করছি।' |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
