|
গেজেট জটিলতায় ভোগান্তি: সমাধান দাবিতে শ্রীপুরে সংবাদ সম্মেলন
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() গেজেট জটিলতায় ভোগান্তি: সমাধান দাবিতে শ্রীপুরে সংবাদ সম্মেলন রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কেওয়া বাজার গরুর হাট এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে নদী ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশন, শ্রীপুর সাহিত্য পরিষদ এবং শ্রীপুর পৌর সচেতন নাগরিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমির সঙ্গে একই দাগে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি অন্তর্ভুক্ত থাকায় ১৯২৭ সালের বন আইনের ২০ ধারার অজুহাতে এসব জমিতে নামজারি, হস্তান্তর ও খাজনা আদায় কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তারা বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বৈধ রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তি মালিকরা তাদের জমির খাজনা দিতে পারছেন না। অন্যদিকে বন বিভাগ তাদের নিজস্ব অংশে নিয়মিত খাজনা প্রদান করছে, যা বৈষম্যমূলক আচরণ বলে দাবি করেন বক্তারা। এছাড়া বন বিভাগের পক্ষ থেকে দেওয়ানি আদালতে মামলা করে হয়রানির অভিযোগও তোলা হয়। বক্তারা জানান, বন আইনের ২০ ধারার আওতায় চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হলেও বাস্তবে এর সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। ফলে জমির সীমানা নির্ধারণ, বাড়িঘর নির্মাণ, শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো— ২০০৬ সালের সংশ্লিষ্ট ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাতিল বা শিথিল করা, ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে সংবিধান অনুযায়ী ভোগদখল, নামজারি ও রাজস্ব কার্যক্রম চালু করা, চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনের বাইরে থাকা জমিতে নামজারি ও খাজনা গ্রহণ কার্যক্রম পুনরায় চালু করা। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে মানববন্ধনসহ বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন খোরশেদ আলম, মো. সেলিম মোল্লা, রানা মাসুদ ও মিশকাত রাসেলসহ ভুক্তভোগী প্রতিনিধিরা। তারা গণমাধ্যমের মাধ্যমে তাদের ন্যায্য দাবি সরকার ও দেশবাসীর কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
