|
রুমায় দুর্গম পাহাড়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে রুমা জোনের উদ্যোগ,৬৫ জনকে নার্সিং প্রশিক্ষণ সমাপনী
অংবাচিং মারমা, রুমা
|
![]() রুমায় দুর্গম পাহাড়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে রুমা জোনের উদ্যোগ,৬৫ জনকে নার্সিং প্রশিক্ষণ সমাপনী গত-৩ মার্চ থেকে শুরু হয়ে-১৬ মার্চ পর্যন্ত রুমা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মোট ৬৫ জন প্রশিক্ষণার্থী এতে অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান,জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীর প্রাথমিক সেবা, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা এবং সাধারণ রোগ প্রতিরোধের বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আজ-১৬ মার্চ রুমা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩৬ বীর রুমা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ মেহেদী সরকার,এসবিপি, পিএসসি। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রীসম্বলিত মেডিকেল ব্যাগ,সনদপত্র (সার্টিফিকেট) এবং স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক হ্যান্ডবুক বিতরণ করেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুমা জোনের উপ-অধিনায়ক মোঃ মাহফুজ আলম। ![]() রুমায় দুর্গম পাহাড়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে রুমা জোনের উদ্যোগ,৬৫ জনকে নার্সিং প্রশিক্ষণ সমাপনী গালেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেনরত ম্রো বলেন,“রুমা জোনের এই উদ্যোগ আমাদের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা নিজ নিজ এলাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে অনেক মানুষের উপকার করতে পারবে। অগ্রবংশ অনাথ আশ্রমের নির্বাহী পরিচালক উঃ নাইন্দিয়া থেরঃ বলেন,“পাহাড়ি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য জোন কমান্ডারের এই উদ্যোগ একটি মহৎ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ। ![]() রুমায় দুর্গম পাহাড়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে রুমা জোনের উদ্যোগ,৬৫ জনকে নার্সিং প্রশিক্ষণ সমাপনী তিনি আরও বলেন আমাদের মূল লক্ষ্য হলো—চিকিৎসার অভাবে যেন কোনো মানুষ অকাল মৃত্যুর শিকার না হয় এবং দুর্গম অঞ্চলের মানুষও যেন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পায়। স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ জনবল তৈরি করে আমরা একটি সহায়ক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যা ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রত্যন্ত পাহাড়ি পাড়াগুলোতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য হবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
