|
স্বামীকে হত্যা করে স্যুটকেসে লাশ, পর্দায় বাস্তবের সেই ভয়ংকর ঘটনা
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() স্বামীকে হত্যা করে স্যুটকেসে লাশ, পর্দায় বাস্তবের সেই ভয়ংকর ঘটনা মেলানি ও বিল পাঁচ বছরের দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছিলেন। বিল কম্পিউটার বিশ্লেষক, মেলানি পেশায় নার্স। দুই সন্তানকে নিয়ে নতুন বাড়িতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। ২০০৪ সালের ২৮ এপ্রিল নতুন বাড়ির কাগজপত্রের কাজ শেষ। সেই সন্ধ্যায় বিল দুই বন্ধুকে ফোন করে নতুন বাড়ির সুখবরটি জানান। এটাই ছিল জীবিত অবস্থায় তাঁর শেষ যোগাযোগ। এরপর কী ঘটেছিল, তা জানা যায় তদন্তে। মেলানি তাঁর কম্পিউটারে অদ্ভুত সব বিষয় সার্চ করছিলেন—‘অদৃশ্য বিষ’, ‘কীভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটানো যায়’, ‘মৃত্যুর জন্য ইনসুলিন’, ‘ক্লোরাল হাইড্রেট’ ইত্যাদি। বিশেষ করে ‘ক্লোরাল হাইড্রেট’ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কেননা, এই একই ওষুধ বিলের গাড়িতে পাওয়া যায়। তদন্তে আরও জানা যায়, মেলানি তাঁর বস ব্র্যাডলি মিলারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখেছিলেন। মিলার বিবাহিত ছিলেন। তবে আদালতে তাঁর সঙ্গে অপরাধের কোনো সংযোগ পাওয়া যায়নি। প্রসিকিউটররা অভিযোগ করেন, মেলানি বিলকে ক্লোরাল হাইড্রেট দিয়ে মাদকাসক্ত করেন, তারপর তাঁকে গুলি করে হত্যা করে মৃতদেহের অংশগুলো তিনটি স্যুটকেসে ভরে চেসাপিক বে-তে ফেলে দেন। মেলানির অভিযোগ, তাঁর স্বামীর জুয়া খেলার বদভ্যাস ছিল। আলান্টিক সিটিতে অপরাধীদের হাতে মারা গিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, বিল তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। তবে বিচারক ও জুরি এই যুক্তি মানেননি। ২০০৭ সালে মেলানির বিচার শুরু হয়। প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল হত্যার আগের দিন মেলানির কেনা বন্দুক, সন্দেহজনক বিভিন্ন ই–মেইল ও ফোন কল। ১৪ ঘণ্টা ধরে রায় নিয়ে বিচারকেরা বৈঠক করেন। এই বৈঠকের পরে মেলানি ম্যাকগোয়ারকে হত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বন্দুক রাখা এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগও প্রমাণিত হয়। সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে তাঁকে আজীবন কারাদণ্ডসহ অতিরিক্ত ৫ বছরের দণ্ড দেওয়া হয়। মেলানি বর্তমানে নিউ জার্সির এডনা মাহান পুনর্বাসনকেন্দ্রে রয়েছেন। তিনি পারোলে মুক্তি পাওয়ার যোগ্য হবে ২০৭৩ সালের ২০ মে! তখন তাঁর বয়স ১০০ বছর। কারাগারে থাকাকালে মেলানি স্বাস্থ্য ও জীবনধারার ওপর নিবন্ধ লেখেন। তাঁর জন্মনাম মেলানি স্লেট ব্যবহার করে। ২০২৪ সালে তিনি লিখেছেন, ‘আমার দুই সন্তান আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে না। আমি তাদের হারিয়ে শোকাহত, কিন্তু মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রতিদিন লড়াই করছি। এই লড়াইয়ে যারা হেরে যায়, তাদের দুঃখ আর অক্ষমতা নিঃশেষ।’ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
খাগড়াছড়িতে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের ফাইনালে পুলিশ লাইন্স স্কুল চ্যাম্পিয়ন, সাইফাতের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি
তেঁতুলিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির দ্বি- বার্ষিক নির্বাচন
মধুখালীতে নবাগত ওসির সাথে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময়
বাঘাইছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২০০ লিটার অবৈধ পেট্রোল জব্দ
