|
নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা খাতের অগ্রাধিকার দাবি 'বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টের'
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা খাতের অগ্রাধিকার দাবি 'বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টের' বৈঠকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম, সরকারি কলেজের সাবেক প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মানসুরুল হক, ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রিন্সিপাল নূরে আলম তালুকদার, ট্রাস্টের পরিচালক ও জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের প্রেসিডেন্ট আরিফুল ইসলাম জিয়া, বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক বেলাল আহমেদ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সিনিয়র সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) আনোয়ার হাবিব কাজল, বিশিষ্ট সাংবাদিক মো. খলিলুর রহমান এবং ট্রাস্টের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর ও ট্রাস্ট মডেল একাডেমির ভাইস-প্রিন্সিপাল মিজ মুস্তাকিমা ইসলাম মীমসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। আলোচকরা বলেন, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে সুশিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। সে লক্ষ্যে শিক্ষা নীতি ও কারিকুলামে সময়োপযোগী সংস্কার জরুরি। তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তাবিত একটি স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। বক্তাদের মতে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষা কমিশন গঠন অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা থাকলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বক্তারা আরও বলেন, জাতিকে জ্ঞান ও বিজ্ঞানে এগিয়ে নিতে শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং জাতীয় প্রবৃদ্ধির কমপক্ষে ৬ শতাংশ বাজেট শিক্ষা খাতে বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে উপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন এবং একটি স্থায়ী শিক্ষা নীতির ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন। প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, অতীতে বিশেষ ব্যক্তিকেন্দ্রিক নানা কারণে শিক্ষা কমিশন গঠন সম্ভব হয়নি বলে তিনি মনে করেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টার প্রতি দ্রুত একটি স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠনের আহ্বান জানান এবং উল্লেখ করেন, গত কয়েক বছরে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়েছে, যা থেকে উত্তরণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, বৈঠকে উত্থাপিত প্রস্তাবনা ও সুপারিশসমূহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী মহলে পৌঁছে দেওয়া হবে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
