ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
‘উইন্টার ব্লুজ়’ ঠেকিয়ে রাখা কঠিন নয়, কী ভাবে কাটিয়ে উঠবেন অবসাদ?
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Wednesday, 10 December, 2025, 7:41 PM

‘উইন্টার ব্লুজ়’ ঠেকিয়ে রাখা কঠিন নয়, কী ভাবে কাটিয়ে উঠবেন অবসাদ?

‘উইন্টার ব্লুজ়’ ঠেকিয়ে রাখা কঠিন নয়, কী ভাবে কাটিয়ে উঠবেন অবসাদ?

সারা বছর নয়। কোনও কারণ ছাড়াই বছরের বিশেষ বিশেষ সময়ে কেমন যেন মনখারাপ ঘিরে ধরে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত কিংবা বসন্ত — প্রতিটি ঋতুর মধ্যেই বিষণ্ণতা লুকিয়ে থাকে। কিন্তু সকলে তা অনুভব করতে পারেন না। মনোবিদরা বলছেন, শীতকালীন মনখারাপের আবার পোশাকি একটা নামও আছে, ‘উইন্টার ব্লুজ়’। বয়স্করা তো বটেই তরুণ প্রজন্মের অনেকেই এখন উইন্টার ব্লুজ়ের শিকার। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ‘সিজ়ন্যাল অ্যাফেক্টিভ ডিজ়অর্ডার’ বা ‘স্যাড’ বলা হয়।

‘স্যাড’ কী?

খালি চোখে শীতকে রঙিন মনে হলেও এই ঋতুর প্রভাবে অনেকের মনই ধূসর হয়ে ওঠে। পিকনিক, ঘোরা-বেড়ানো, বিয়েবাড়ি, খাওয়াদাওয়া, বড়দিন, নতুন বছর — একাধিক অনুষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও মনের কোণে কেন মেঘ জমে তা স্পষ্ট করে বলা যায় না। মনোবিদরা বলছেন, ঋতুকালীন মনখারাপের বিষয়টির জন্ম হয়েছিল মূলত শীতপ্রধান দেশে। 

ডিসেম্বর-জানিয়ারি মাসে পৃথিবীর অন্য গোলার্ধে দিন ছোট হয়ে আসে। প্রবল ঠান্ডা, ঝিরঝিরে বৃষ্টি কিংবা তুষারপাতে বাইরে বেরোনো প্রায় বন্ধ করে দেন সেখানকার মানুষজন। স্বাভাবিক কাজকর্মও ব্যাহত হয়। যে কারণে অবসাদ আসে। আবার, দীর্ঘ দিন সূর্যের আলো না দেখলেও মনখারাপ হতে পারে। এটা যে শুধুমাত্র শীতপ্রধান দেশেই সীমাবদ্ধ, তা কিন্তু নয়।

‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেলথ’- এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ধরনের অবসাদ মূলত শুরু হয় শরতের শেষ থেকে। শীত জুড়ে চলতে থাকে এই সমস্যা। বসন্ত থেকে আবার ধীরে ধীরে এই অবসাদ কাটতে শুরু করে। চিকিৎসকরা বলছেন, যে হেতু শীতপ্রধান দেশে যে হেতু শীতের সময়ে দিন ছোট হয়ে আসে, সূর্য ওঠেই না প্রায় দিন। ফলে দেহের নিজস্ব যে ছন্দ বা সার্কাডিয়ান রিদম ব্যাহত হয়। তার প্রভাবেই মনমেজাজ বিগড়ে যেতে পারে।

‘স্যাড’ ঠেকিয়ে রাখার উপায় কী?

১) ঠান্ডা থাকলেও অল্প সময়ের জন্য বারান্দা বা ছাদ থেকে ঘুরে আসা যায়। জানলার ধারে বসেও কিছুটা সময় কাটানো যেতে পারে। দিনের আলোতে মন ভালো হয়ে যেতে পারে।

২) এই সময় শারীরিক ভাবে সক্রিয় থাকা বিশেষ প্রয়োজন। ঠান্ডার সময়ে শরীরচর্চা করতে অনীহা বোধ করেন অনেকে। যে কারণে ‘হ্যাপি’ হরমোনের ক্ষরণ এবং কার্যকারিতা ব্যাহত হয়। হরমোনের হেরফেরেও কিন্তু মনখারাপের তীব্রতা বাড়তে পারে।

৩) পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয় মানুষের সঙ্গ মনখারাপকে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। মনখারাপের ওষুধ হয়ে উঠতে পারে ‘টক থেরাপি’। ভরসা করে মনের কথা কাউকে বলতে না পারলে লিখেও রাখা যেতে পারে।

৪) সিজ়নাল ডিপ্রেশন ঠেকিয়ে রাখতে অনেক সময়ে ভিটামিন ডি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। মনমেজাজ ভালো রাখতে এই ভিটামিনের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status