|
পাহাড়ি-বাঙালি বিভাজন দূর করতেই সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আত্মপ্রকাশ
মো.আকতার হোসেন
|
![]() পাহাড়ি-বাঙালি বিভাজন দূর করতেই সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আত্মপ্রকাশ স্বাগত বক্তব্যে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা বলেন, পাহাড়ের ১৪টি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি সকল বাঙালি ,অবাঙ্গালির অধিকার বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যেই সিএইচটি সম্প্রতি জোটের জন্ম। ইতোমধ্যে সিএইচটি সম্প্রতি জোট পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি,অবাঙ্গালিদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নে ৮দফা নিয়ে পদযাত্রা শুরু করেছি। যা খুব শিগগিরই জাতীয় এবং আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা হবে। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সম্প্রীতি সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক। সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের মুখপাত্র পাইশিখই মারমার স্বাগত বক্তব্যে এবং সংগঠক মো. ইসমাইল হোসেন রাফি'র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মনিরুজ্জামান, সদর ইউপি'র প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন, ওলামা ঐক্য পরিষদ নেতা মাওলানা নাছির উদ্দীন, মুফতি মাইন উদ্দিন জামিল, মাওলানা গাজী আনোয়ার হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ নেতা মো. মোক্তাদীর হোসেন, সাংবাদিক আবদুল মান্নান, উপজেলা কার্বারী এসোসিয়েশনের সভাপতি ক্যজ চৌধুরী, সিএইচটি জোট খাগড়াছড়ির কার্যকরী সদস্য মো. শাহিন আলম, বীরচন্দ্র কার্বারী প্রমূখ। সমাপনী বক্তব্যে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেরও শান্তি না আসার একমাত্র কারণ এখানে বাঙালি, অবাঙালীর মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করে রাখা হয়েছে। একই দেশে থেকে অবাঙালিরা ( পাহাড়ি)যেমন পাহাড়-সমতলে জায়গা কিনতে পারলেও সমতলের বাঙালিরা কেন পাহাড়ে জায়গা কিনতে পারবে না! পাহাড়ে সকল জাতিসত্তার সমান অধিকার নিয়ে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট কাজ করবে। এখানের ১৪টি জনগোষ্ঠীর মধ্যে কোন ভেদাভেদ থাকবেনা। সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দমন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
