|
শিবালয়ে ওসি’র বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ, এলাকাবাসীর মানববন্ধন
হাসান শিকদার,মানিকগঞ্জ
|
![]() শিবালয়ে ওসি’র বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ, এলাকাবাসীর মানববন্ধন আজ শিবালয় উপজেলার নালী ধুতরাবাড়ি এলাকায় ভুক্তভোগী, তার পরিবার ও এলাকাবাসী এ মানববন্ধনে অংশ নিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় আয়ুব তালুকদার, শফিকুল ইসলাম ও ভুক্তভোগী মো. রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, বসতবাড়ি সংক্রান্ত বিষয়ে রফিকুল ইসলামের বড় ভাইয়ের স্ত্রী সালমা আক্তার রফিকের বিরুদ্ধে শিবালয় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এতে পুলিশ গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রফিককে ডেকে থানায় নেন। সেখানে ওসি মো. কামাল হোসেন রফিকুল ইসলামের কোনো কথা না শুনেই তার পৈত্রিক বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলেন। এতে সে রাজি না হলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মারধরের ভয় দেখানোসহ নানাবিধ হুমকি দিয়ে গারদে আটকে রাখেন। ওসি তাকে ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে রাত গভীরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন। বক্তারা আরও বলেন, রফিকুল এলাকার ভাল ও সহজ সরল প্রকৃতির মানুষ। তার ভাবি সালমা আক্তার থানায় পুলিশের কাছে যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা এ মিথ্যা মামলা এবং তাকে থানায় ডেকে নিয়ে হয়রানীর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এদিকে ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম জানান, বিজ্ঞ আদালতের দু’টি রায় আমাদের পক্ষে থাকলেও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বড় ভাইয়ের স্ত্রী সালমা আক্তার থানায় আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল ৮ সেপ্টেম্বর শিবালয় থানার এসআই নুরুল ইসলাম আমাকে ফোন দিয়ে সন্ধ্যায় থানায় ডেকে নেন। এসআই আমাকে ওসির সাহেবের রুমে নিয়ে গেলে ওসি আমার কোনো কথা না শুনে ধমক দিয়ে গারদে ঢুকায়। ![]() শিবালয়ে ওসি’র বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ, এলাকাবাসীর মানববন্ধন মানববন্ধনে অংশ নেয়া স্থানীয় মাতব্বর আয়ুব তালুকদার জানান, আজ সকালে রফিকুল বিপর্যস্ত অবস্থায় ছাদে বসে মাইকে শিবালয় থানার ওসি ও দারোগার নানা ফিরিস্তি তুলে বক্তব্য দিতে থাকেন। এসময় তিনি তার মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ছাদ থেকে নীচে নামবেন না বলে ঘোষণা দিয়ে স্থানীয়দেরকে তার পাশে থাকার আহবান জানান। ঘটনাস্থলে ছুটে আসা উৎসুক জনতা ও স্থানীয়রা তার ডাকে একত্রিত হয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিলে সে ছাদ থেকে নেমে আসে। যা তাৎক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে শিবালয় থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বলেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সালমা আক্তার একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরের দিন ৮ সেপ্টেম্বর এসআই নুরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সততা পেয়ে অভিযুক্ত রফিকুলকে থানায় আসতে বললে সে সন্ধ্যায় থানায় আসেন। রাতে অভিযোগকারীসহ স্থানীয় জামাতের দুই নেতা বিষয়টি পারিবারিকভাবে মিমাংসা করবেন বলে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন। তিনি আরও বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
