|
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কোটি টাকার দুর্নীতির মূল হোতা অফিস সহায়ক খোরশেদ আলম
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কোটি টাকার দুর্নীতির মূল হোতা অফিস সহায়ক খোরশেদ আলম খোরশেদ আলম সরকারি কাজ বাগিয়ে নেন নিজের বেনামী ঠিকাদারি লাইসেন্স ব্যবহার করে আর এতে সরাসরি সহায়তা করে পাউবো দপ্তরেরই একাধিক প্রভাবশালী কর্মকর্তা বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে অধিকাংশ বেড়িবাঁধ জরাজীর্ণ। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস সহকারী খোরশেদ আলম ঠিকাদার হওয়ায় যেনতেন ভাবে এসব বাঁধ সংস্কারের কাজ করে আসছে বলে প্রায় প্রতিবছর বাঁধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হয়। আমার ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ সংস্কার কাজে কিছু স্থানে অনিয়ম হচ্ছে বলে আমি জানতে পারায় পাউবো কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে ও কোনো সুফল পায়নি। অনুসন্ধানে জানা গেছে দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে অন্যান্য কর্মকর্তারা নিয়মিত বদলি হলেও বদলান না খোরশেদ আলম বরং তিনি থেকে যান সব অনিয়মের কেন্দ্রে। দপ্তরে উপস্থিত না থেকেও তার কথাতেই বদলে যায় প্রকল্পের বরাদ্দ কাজের তালিকা এমনকি কর্মীদের দায়িত্ব ও তার নির্দেশে বদলে দেওয়া হয় অফিসের সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট পর্যন্ত। সরোজমিনে অনুসন্ধানে দেখা গেছে শ্যামনগর পাউবোর এসও ফরিদ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাব-ডিভিশনাল প্রকৌশলী ইমরান সরদারের আতাঁতে খোরশেদ আলম একাই দখল করে আছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিশাল সরকারি বাংলো। সেখানে তিনি নিজ খরচে বসিয়েছেন ২০ থেকে ২৫ টি সিসি ক্যামেরা তৈরি করেছেন রাজকীয় সাজে ঘেরা আবাসন ব্যবস্থা। শুধু তাই নয় বাংলোর ভিতরের চাষ করছেন ধান ও সবজি দিঘির মাছ বিক্রি করে করছেন আয় সরকারি সম্পদকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তির মত করে করছেন বছরের পর বছর ধরে খোরশেদ আলম মূলত কুষ্টিয়া জেলার আলমডাঙ্গার বাসিন্দা হলেও চাকরির সুবাদে এখন শ্যামনগরের স্থানীয় বাসিন্দা হয়ে উঠেছেন তৈরি করেছেন জাতীয় পরিচয় পত্র কিনে নিয়েছেন শত শত বিঘা জমি রেখেছেন ব্যক্তিগত ১০ থেকে ১৫ জন কর্মচারী নিজে অফিস সহায়ক হয়েও ছেলেকে ঠিকাদারি লাইসেন্স করে দিয়ে সরকারি কাজ করে যাচ্ছেন নির্দ্বিধায়। নিজের জন্য রয়েছেন লরি ভেকু সহ কোটি টাকার ঠিকাদারি সরঞ্জাম ছেলের জন্য কিনে দিয়েছেন দামি r15 মোটরবাইক বোর্ডের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন অফিস সহায়ক খোরশেদ আলম বছরের পর বছর অফিসে অনুপস্থিত থেকেও যেভাবে একক সূত্র নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন তা এক কথায় অবিশ্বাস্য একবার তার বিষয়ে প্রশ্ন তোলার পরে বোর্ডের কর্মকর্তারা চাপে পড়ে সিট বদল করতে বাধ্য হন এমন কি দৈনিক নতুন সময়ের অনুসন্ধান চলাকালে তার বিভিন্ন দপ্তরে ও সাংবাদিক মহলে দৌড়ঝাঁপ দিতে দেখা গিয়েছে অথচ তার দুর্নীতি নিয়ে একাধিক গণমাধ্যম সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থাই নেইনি। বরং সাতক্ষীরা পাউবো র্মকর্তাদের যোগসাজশে স্থানীয় সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করা হয়। কেউ মুখ খুললেই মিথ্যা মামলা ও হামলার ভয় দেখিয়ে থামিয়ে দেওয়া হয় প্রতিবাদী কন্ঠ। এ যেন তার কাছে গোটা পানি উন্নয়ন বোর্ড জিম্মি। কিন্তু দৈনিক নতুন সময়ের অনুসন্ধানে জানা যাচ্ছে,সামান্য বেতনের আড়ালে তিনি গড়ে তুলেছেন এক অবৈধ সাম্রাজ্য যার শিকড় ছড়িয়ে আছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ব্যবস্থাপনায়। দৈনিক নুতন সময়ের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের দ্বিতীয় তৃতীয় পর্বে থাকছে খোরশেদের ঠিকাদারী কাজের বিবরণ, নারী কেলেঙ্কারি ও তার গোপন সম্পদের বিস্ফোরক তথ্য চোখ রাখুন দৈনিক নতুন সময় পত্রিকায়
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
