ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ২১ জুন ২০২৬ ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
যেসব অভ্যাস হতে পারে আপনার মন খারাপের কারণ
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Wednesday, 16 July, 2025, 3:23 PM

যেসব অভ্যাস হতে পারে আপনার মন খারাপের কারণ

যেসব অভ্যাস হতে পারে আপনার মন খারাপের কারণ

সার্বিকভাবে ভালো থাকার ভিত্তি হলো মানসিক সুস্বাস্থ্য। শরীরের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হলো মন। অথচ মনের পরিচর্যা আড়ালেই থেকে যায়। ব্যস্ত জীবনে মনের তো দূর, শরীরের যত্ন নেওয়ারও সময় পাওয়া যায় না।

কর্মক্ষেত্রের প্রত্যাশা পূরণের চাপ, ভবিষ্যৎ চিন্তা, ব্যক্তিগত জীবন, অপছন্দের কাজ করা, সময়ের অভাবে পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, পুষ্টিকর খাবার না খাওয়া, নিজের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলা, অতিরিক্ত ক্লান্তি— মানসিক স্বাস্থ্য বিঘ্নিত হওয়ার প্রধান কিছু কারণ। তবে এ ছাড়াও অজান্তেই আমাদের প্রতিদিনের কিছু কাজ মনের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে শুরু করে। 

চলুন, জেনে নেই-

১) ডিজিটাল দুনিয়ার প্রতি আমাদের আকর্ষণ প্রচুর। বিনোদনের জন্য মোবাইলের এক ‘ক্লিকেই’ ওটিটি প্ল্যাটফর্মের ওয়েব সিরিজ থেকে অনলাইন গেমসে ডুবে যায় আট থেকে আশি বছরের সবাই। তবে সেই সময়েরও একটা সীমারেখা দরকার। ডিজিটাল দুনিয়ার আসক্তিতে ডুবলে জীবনে খারাপ প্রভাব পড়তে বাধ্য। তার চেয়ে কিছুটা সময় বই পড়ে, পছন্দের রান্না করে, গান শুনে, ছবি এঁকে— যার যা ভালো লাগে, তা নিয়ে সময় কাটাতে পারেন।

২) ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টুইটার— এখন আমরা এসব মাধ্যমে বন্ধু খুঁজি। সারাক্ষণ ফোনের সংস্পর্শে থাকার ফলে পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধবের থেকে ক্রমেই দূরে চলে যাচ্ছি আমরা। মনোবিদরা বলছেন, ডিজিটাল দুনিয়ায় বন্ধুত্ব তৈরি না করে বাস্তবে কাছের মানুষদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে হবে। পরিবার-পরিজন, কাছের মানুষের সঙ্গে ভালো সময় কাটান। সময় কাটানো মানে সেটি দীর্ঘ হতে হবে এমনটা নয়, যতটা সময় কাটাচ্ছেন, তা যেন সুন্দর হয়।

৩) একঘেয়ে জীবনে মাঝেমধ্যে বিরতির দরকার হয়। ট্রেনের মতো ছুটে চলা জীবনে মাঝেমধ্যে লাগাম টানুন। কাজ সারাজীবন থাকবে, কিন্তু নিজের সেরাটুকু দেওয়ার জন্যেও কিছুটা প্রস্তুতির দরকার হয়। মন খারাপ হোক বা না হোক, সময় পেলেই ঘুরে আসুন। দরকার হলে সময় বের করেই ঘুরে আসুন। আপনার মনের দেখাশোনার দায়িত্ব আপনার নিজের। চাঙ্গা থাকার চেষ্টা করুন। ইচ্ছে অনুযায়ী চলুন। এগুলোই মনের ক্ষতে একটু একটু করে প্রলেপ লাগাবে।

৪) কেবল ‌শরীরের জন্যই নয়, মনের জন্যও ৮ ঘণ্টা ঘুম খুব জরুরি। অনিদ্রাও কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্যের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তাই রাত জেগে সিরিজ না দেখে সময় মতো ঘুমিয়ে পড়ুন। অযথা রাত জাগার অভ্যাস থাকলে সবার আগে সেই অভ্যাস পরিবর্তন করুন।

৫) মানসিক স্বাস্থ্য অবহেলা করার বিষয় নয়। মনের কোণে যদি এতটুকুও উদ্বেগের মেঘ জমাট বাঁধে, তা চেপে রাখবেন না। যাকে বললে বা যাদের বললে হালকা হতে পারবেন, দেরি না করে বলে ফেলুন। সমস্যা চেপে রাখলে আরও বাড়তে থাকে। লাভ কিছু হয় না। দরকার হলে মনোবিদের সাহায্য নিন। কিন্তু মনের মধ্যে যন্ত্রণা আটকে রেখে নিজেকে তিলে তিলে কষ্ট দেওয়া মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status