|
মহার্ঘ ভাতা নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() মহার্ঘ ভাতা নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর এ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক আগামী ২০ মে অনুষ্ঠিত হবে, যার সভাপতিত্ব করবেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। সেই বৈঠকেই মহার্ঘ ভাতার হার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হবে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে প্রস্তাব তৈরির কাজ শুরু হয়েছে এবং বিভিন্ন দপ্তর থেকে সুপারিশ পাওয়া গেছে। মহার্ঘ ভাতা চালু হলে শেখ হাসিনা সরকারের সময় চালু হওয়া ৫% বিশেষ প্রণোদনা বাতিল করা হবে। এই প্রণোদনা গত কয়েক বছর ধরে বার্ষিক ৫% ইনক্রিমেন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে, সরকার একটি কমিটি গঠন করে সরকারি কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা চালুর বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করে। তবে জানুয়ারি মাসে অর্থনৈতিক চাপ এবং মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরকার সরে আসে। এতে প্রশাসনের ভেতরে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। policymakers মনে করছেন, সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের ফলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে, যা সামাল দিতে আবার নতুনভাবে মহার্ঘ ভাতা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বর্তমান অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও ভাতার জন্য টাকা ৮২,৯৯০ কোটি বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা মোট বাজেটের ১০.৪১ শতাংশ। প্রতিবছর এই খাতে গড়ে ৬-৮ শতাংশ হারে ব্যয় বাড়ে। সেই হিসাবে আগামী অর্থবছরে এই খাতের বরাদ্দ টাকা ৮৯,৫০০ কোটি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। তবে মহার্ঘ ভাতা যুক্ত হলে এই ব্যয় বেড়ে টাকা ৯৭,০০০ কোটি পর্যন্ত হতে পারে। ২০১৫ সালে কার্যকর হওয়া অষ্টম বেতন কাঠামো অনুযায়ী, আর নতুন কোনো পে-স্কেল ঘোষণা না করে বরং প্রতি বছর জুলাই মাসে ৫% হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছিল। যদি কোনো অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৫% ছাড়িয়ে যায়, তবে ইনক্রিমেন্টের হার মূল্যস্ফীতির সমান হওয়ার কথাও বলা ছিল। তবে এবার সেই ৫% ইনক্রিমেন্ট বাতিল করে মহার্ঘ ভাতা চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। সব মিলিয়ে, আসন্ন বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি নতুন আর্থিক কাঠামো আসতে চলেছে, যা প্রশাসনিক কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ নিরসনে ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
