|
আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জবি শিক্ষার্থীদের
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জবি শিক্ষার্থীদের বুধবার (১৪ মে) দিবাগত রাত ১২টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব রাজনৈতিক সংগঠনের প্লাটফর্ম ‘জবি ঐক্যের’ মতামতের ভিত্তিতে তিনি এ ঘোষণা দেন। জবির সমস্যা সমাধানে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবেজবির সমস্যা সমাধানে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এ সময় তিনি জবিয়ানদের চলমান আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, আমরা রাজপথ ছেড়ে যাবো না। সারারাত এখানে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করবো। এখানে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, সেই দায় সরকারকে নিতে হবে। আমরা এখানে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করবো। দুপুরের ন্যায় যদি আবার হামলা চালানো হয়; আমরা তা মেনে নেব না। তিনি বলেন, কোনোভাবে জবি শিক্ষার্থীদের ওপর রক্তচক্ষু দিয়ে তাকাবেন না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই জায়গা ছেড়ে কোথাও যাবো না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসনব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কার্যকর, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করেই অনুমোদন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরবর্তী একনেক সভায় অনুমোদন করে অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করার দাবিতে কিছুদিন ধরে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার আবারও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে রওনা হন। প্রথমে গুলিস্তান মাজার গেটে তাদের পদযাত্রা বাধার সম্মুখীন হয়। পরে মৎস ভবনে ফের পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যমুনা অভিমুখে এগিয়ে যেতে থাকেন জবি শিক্ষার্থীরা। বেলা পৌনে ১২টার দিকে কাকরাইলে শিক্ষার্থীদের পদযাত্রায় টিয়ার গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে পুলিশ। কাকরাইল ক্রসিং মোড়ে আসতেই টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও গরম পানি নিক্ষেপ করতে শুরু করে পুলিশ। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ শতাধিক জন আহত হন। বিকেল তিনটার দিকে আলোচনার জন্য উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন যমুনায় যান। দেড় ঘণ্টা পরে আলোচনায় অংশ নিতে যমুনায় যান শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইস উদ্দিন। পরে শিক্ষার্থীরা ফের কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
