|
কর্ণফুলীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জিরা
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() কর্ণফুলীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জিরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করছেন তারা। যেন দম ফেলবার ফুরসত নেই তাদের। তাদের হাতে মোটেও সময় নেই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তৈরি পোশাক সরবরাহ করতে হবে। তাই পছন্দের পোশাক বানাতে দর্জির দোকানগুলোতে ভিড় করছেন শৌখিন গ্রাহকরা। কর্ণফুলীর উপজেলার বিভিন্ন দর্জি দোকান ঘুরে দেখা গেছে, দম ফেলার ফুরসত নেই কারো। সেলাই মেশিনের শব্দে কারিগরদের সঙ্গে কথা বলাও দায় হয়ে পড়েছে! বছরের এই সময়টা তাদের কাছে কিছু বাড়তি কাজ করে উপরি আয়ের ভালো সুযোগ। ঈদে ক্রেতাদের রেডিমেডের চেয়ে ঝোঁক বেশি থাকে সেলাই করা কাপড়ের দিকে। তাই থানকাপড় বিক্রি হচ্ছে ভালোই। ঈদকে সামনে রেখে আনন্দের হাওয়া বইছে পোশাকের দোকানগুলোতে। কাজের গতি দিনে দিনে বাড়ছে দর্জি কারিগরদের। সেলাই মেশিনের একটানা খটখট আওয়াজ চলছে। এর মধ্যেই নেয়া হচ্ছে নতুন পোশাকের অর্ডার। দোকানীদের এমন ব্যস্ততার পাশাপাশি ক্রেতাদের ভীড়ও দেখা গেছে গেলো কয়েক বছরের তুলনায়। কর্ণফুলী এলাকার বেশ কয়েকটি দর্জি দোকান ঘুরে এমন ব্যস্ততা চোখে পড়ে। ঢাকা টেইলার্সের দর্জি কারিগর ফরিদ জানান, রমজানের শুরু থেকে ক্রেতাদের চাপ হলেও দিনে দিনে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়ছে। এখানে যারা সেলাই করেন তারা আমার নিয়মিত ক্রেতা। তাদের কাপড়ের অর্ডার নিয়েই সামলে উঠতে পারছি না। বাইরের অনেকে আসেন চাপ বেড়ে যাওয়ায় এখন আর অর্ডার নিতে না পেরে তাই ফেরত দিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত কর্মচারী রেখেও কাজের চাপ সামলানো কঠিন হচ্ছে। ডিজাইন ভেদে এক এক পণ্যের দাম ভিন্ন ভিন্ন হয় বলে তিনি জানান। দর্জি কারিগর ফয়সাল জানায়, রমজানের শুরুর আগে থেকে অর্ডার নিচ্ছি,এবার একটু কাজের চাপ বেশি। দিন যতই যাচ্ছে, ক্রেতাদের ভিড় ততই বাড়ছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
