|
আদালতের এজলাস থেকে সরছে লোহার খাঁচা
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() আদালতের এজলাস থেকে সরছে লোহার খাঁচা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত ২ জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এ তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে এসে প্রথম আদালতের এজলাসে স্থাপিত লোহার খাঁচার তৈরি কাঠগড়ায় দাঁড়ান। ওই দিন আদালত থেকে বের হয়ে এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, অভিশপ্ত জীবনের একটা বড় পর্যায়ে পৌঁছে গেছি। সেটা বুঝলাম যে এই অভিশাপ অনেক উপরে নিয়ে গেছে। অভিশপ্ত জীবনেও একটি শীর্ষ বিন্দু আছে। আজ সে রকম একটা শীর্ষ বিন্দুতে। এই প্রথম লোহার খাঁচায় কাঠগড়াতে দাঁড়ানো। এটা একটা দেখার মতো দৃশ্য। এটা আমার জীবনের একটা স্মরণীয় ঘটনা যে লোহার খাঁচার ভেতরে দাঁড়িয়ে আছি আদালতের কাঠগড়ায়। এ অভিশপ্ত জীবনের একটা অংশ। গত ১২ জুন ড. মুহাম্মদ ইউনূস দ্বিতীয়বার লোহার খাঁচার তৈরি কাঠগড়ায় দাঁড়ান। ওই দিন তিনি সাংবাদিকদের আদালতের লোহার খাঁচার আসামির কাঠগড়া দাঁড়ানো সম্পর্কে বলেছিলেন, একজন নিরপরাধ নাগরিককে লোহার খাঁচার (আসামির কাঠগড়া) মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে শুনানির সময়, এটা আমার কাছে অত্যন্ত অপমানজনক। এটা গর্হিত কাজ। এটা কারো ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য না হয়। একটা পর্যালোচনা হোক। তিনি আরো বলেছিলেন, একটা সভ্য দেশে কেন একজন নাগরিককে পশুর মতো দাঁড়িয়ে থাকতে হবে শুনানির সময়। যেখানে একজন নাগরিক দোষী সাব্যস্ত হননি। অনেক আইনজ্ঞ আছেন, বিচারপক্ষের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা পর্যালোচনা করে দেখবেন, এটা রাখার দরকার আছে কি নেই? সারা সভ্য দুনিয়ায় যেভাবে হচ্ছে, সেভাবে হবে। আমরা সভ্য দেশের তালিকায় থাকতে পারি।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
