ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ১ জুলাই ২০২৬ ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
জননী কিন্ডারগার্টেনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
সালেক হোসেন রনি, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশ: Sunday, 28 January, 2024, 11:47 PM

জননী কিন্ডারগার্টেনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

জননী কিন্ডারগার্টেনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

প্রতি বছরের ন্যায় পিঠা উৎসবের সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে এবারও জননী কিন্ডারগার্টেনে শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উৎসবের পাশাপাশি বেদে সম্প্রদায়ের শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সি মানুষ নানা ধরনের আয়োজনে মেতে ওঠেছে কিশোরগঞ্জে শীতকালীন পিঠা উৎসব।  

শনিবার (২৭ জানুয়ারি ) সকাল ১১ টায় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা যশোদল  ইছাসুর, পাক্কার মাথা (বড়পুকুরপাড়) এলাকায় জননী কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয়ের  মাঠে উৎসবমুখোর পরিবেশে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য পিঠা উৎসবে বিপুল সমাগম দেখা যায়। পিঠা উৎসবে অংশ নেয়া ছাত্রীরাও সাজে আবহমান বাংলার নানান সাজে। মোট ৮টি স্টলে হরেক রকমের পিঠার পসরা সাজিয়ে বসে জননী কিন্ডারগার্টেনের বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা। 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: বাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যশোদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: শফিকুল হক (বাবুল হাজী), মৎস্য অধিদপ্তরের সাবেক সহকারি পরিচালক ড. এস.এম ফরিদ, যশোদল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার রায়। 

বিদ্যালয়ের পরিচালক মো: আল-আমীনের সঞ্চালনায় দ্বিতীয় পর্বে পুরস্কার বিতরণ করেন, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ডা: মোছা: মাছুমা আক্তার, যশোদল ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মো: আঙ্গুরা আক্তার, ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: তাজুল ইসলাম, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো: জুয়েল, আ: সাত্তার প্রমুখ।

ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের যৌথ উদ্যোগে উৎসবের আয়োজনে আগত অতিথিরা বাহারী পিঠা দেখে নানা শ্রুতি মধুর মন্তব্য করেন। 

পিঠা উৎসবে হরেক রকম পিঠার মধ্যে নয়নতাঁরা, ফুল পিঠা, রাজকীয় পিঠা, নকশি পিঠা, সেমাই পিঠা, ভাপা পিঠা, সুজির বরফি, ডাল বরফি, সন্দেশ, ডালপুরি, গোলাপ পিঠা, খেজুর পিঠা, আলুর পরোটা, নুডলসের পাঁকুড়া, পাপড়, মনমোহন, পাটিসাপটাসহ নানা নামের ও রংয়ের মুখরোচক পিঠা স্থান পায় স্টলগুলোতে।

মৎস্য অধিদপ্তরের সাবেক সহকারি পরিচালক ড. এস.এম ফরিদ, বলেন, দেশে ঐতিহ্য আমাদের পিঠাপুলি আজ হারিয়ে যাচ্ছে। আজকাল মায়েরা আর কষ্ট করে পিঠা তৈরি করতে চায় না। শিশুরা পিঠাপুলির চাইতে চিপস, বিস্কুটে বেশি মজে থাকে। ছোটবেলা আমরা অনেক পিঠা খেয়েছি। আজও মনে পরে মা শীতের সকালে পিঠার আয়োজন করতো। আমরা ভাই বোনরা মিলে একসাথে পিঠা খেতাম।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা বলেন, গ্রাম-বাংলার চিরাচরিত ঐতিহ্যের প্রায় প্রতিটি উৎসবে পিঠা পরিবেশন না হলে যেন চলেইনা। আগেকার দিনে প্রায় প্রতিটি বাড়িতে এধরণের পিঠার আয়োজন হত। এখন এসব বিলিন হয়ে যাচ্ছে। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় পিঠা কিছুটা হলেও মানুষকে আকৃষ্ট করবে। 

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বইপাঠ প্রতিযোগিতা, পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 
  
এসময় উপস্থিত ছিলেন  শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা। 

৮টি স্টলের মধ্যে সেরা ৩টি স্টলকে পুরস্কৃত করা হয় এবং শেষে কুপন ড্রয়ের (লটারী) মাধ্যমে উপস্থিত সকলের মাঝে ৩১টি পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status