|
এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান শুক্রবার দুপুরে নিজ বাসভবনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান এই সিদ্ধান্ত। এই মাসেই এশিয়া কাপ দিয়ে শুরু হবে সাকিবের নেতৃত্বের নতুন অধ্যায়। তবে তিন সংস্করণেই সাকিব অধিনায়ক থাকবেন কি না, এই সিদ্ধান্ত তার সঙ্গে আরও আলোচনা করে পরে নেওয়া হবে বলে জানান বিসিবি সভাপতি। দেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বে আগে থেকেই আছেন ৩৬ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার। বোর্ড সভাপতির সঙ্গে বৈঠকের পর গত ৩ অগাস্ট ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব ছেড়ে দেন তামিম ইকবাল। এরপর সম্ভাব্য অধিনায়ক হিসেবে সাকিবের নামই উচ্চারিত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। তবে তামিমের অনুপস্থিতিতে এর মধ্যেই ৫টি ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দেওয়া লিটন দাসকে নিয়েও ছিল আলোচনা। সম্ভাবনা খানিকটা ছিল মেহেদী হাসান মিরাজেরও। শেষ পর্যন্ত বিশ্ব আসরের মতো বড় মঞ্চে সাকিবের অভিজ্ঞতায়ই ভরসা রাখল বিসিবি। সাকিবের নেতৃত্বে দেশের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপে খেলেছিল বাংলাদেশ। ওই বছরের অগাস্টে জিম্বাবুয়ে সফরের পর তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে ক্যারিয়ারের দীর্ঘ পথচলায় টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব পেলেও ওয়ানডে দলের নিয়মিত অধিনায়কের দায়িত্ব আর পাননি। ২০১৫ সালে দুটি ও ২০১৭ সালে একটি ওয়ানডে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন বটে, তবে তা ছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে। এই ৩৬ বছর বয়সে এসে আবার পেলেন সেই ভার। এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশকে ৫০ ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাকিব। তাতে জয় ২৩টি, পরাজয় ২৬টি। ফলাফল হয়নি একটিতে। তামিম দায়িত্ব ছাড়ার দুদিন পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিসিবি সভাপতি সরাসরিই বলেছিলেন, পরবর্তী অধিনায়ক হিসেবে সাকিবই তাদের প্রথম পছন্দ। তবে কিছু জটিলতার কথাও তিনি বলেছিলেন। "সাকিবের নাম আসা তো খুব স্বাভাবিক। এটা অবধারিত পছন্দ। কিন্তু আপনি কি বলতে পারেন, দুই বছর খেলবে সাকিব? ওর পরিকল্পনা জানি না তো! ওর সাথেও তো কথা বলতে হবে। আমরা একটু জেনে নিই। এটা নিয়ে কথাবার্তা বলতে হবে। বোর্ডের সবার সঙ্গে কথা বলতে হবে। ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তবে এটা ঠিক, সবচেয়ে সহজ সমাধান হচ্ছে, সাকিবকে (অধিনায়ক) করে দেওয়া। এটাতে কোনো সমস্যা নেই।” এরপর গত মঙ্গলবার অধিনায়ক ঠিক করার জন্য জরুরি সভায় বসে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ। সেদিনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সভা শেষে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস জানান, বোর্ড পরিচালকদের পক্ষ থেকে বিসিবি সভাপতিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নতুন অধিনায়ক ঠিক করতে। শেষ পর্যন্ত বোর্ড প্রধানের কাছ থেকেই জানা গেল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তবে সাকিবকে তিন সংস্করণেই অধিনায়ক করা নিয়ে এখনও সংশয়ে বিসিবি সভাপতি। "আমি মনে করি, ওর জন্য তিন সংস্করণে একসঙ্গে অধিনায়কত্ব করা কঠিন। এটা ওর সঙ্গে কথা বলে ঠিক করতে হবে। ও কোন সংস্করণে করতে চায়, কোনটা রাখতে চায়, যদি এক-দুই সংস্করণ চায়, তাহলে একরকম, আবার ও যদি বলে তিন সংস্করণেই করতে চাই, তাহলে তো সমস্যাই নেই। তো ওর ব্যাপারটা জেনে তারপরে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
