ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
মুক্তিযোদ্ধার লাশের সঙ্গে কি ‘বেয়াদবি’ নারী ইউএনওর, কেন আপত্তি কাদের সিদ্দিকীর
প্রকাশ: Sunday, 30 April, 2023, 1:44 PM
সর্বশেষ আপডেট: Thursday, 4 May, 2023, 5:44 PM

মুক্তিযোদ্ধার লাশের সঙ্গে কি ‘বেয়াদবি’ নারী ইউএনওর, কেন আপত্তি কাদের সিদ্দিকীর

মুক্তিযোদ্ধার লাশের সঙ্গে কি ‘বেয়াদবি’ নারী ইউএনওর, কেন আপত্তি কাদের সিদ্দিকীর

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আব্দুল হামিদ খানকে (নয়া মুন্সি) একজন নারী ম্যাজিস্ট্রেট গার্ড অব অনার দিতে আসায় ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে সখীপুর পিএম পাইলট মডেল গভ. স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে সখীপুরের অনেক কর্মকর্তাকে লাথি মেরে ঢাকায় পাঠাতাম।’

শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) রাত ১২টায় মুক্তিযোদ্ধা হামিদ খান মুন্সির মৃত্যু হয়। শনিবার বেলা দুইটায় সখীপুর পিএম পাইলট মডেল গভ. স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে জানাজার নামাজের আগে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদর্শনের জন্য আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলম।



তাকে উদ্দেশ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, কোনো জানাজা নামাজে নারী গার্ড অব অনার দিতে পারে না। এখানে নারী ম্যাজিস্ট্রেট এসে মুক্তিযোদ্ধার লাশের সঙ্গে ‘বেয়াদবি’ করেছেন। তিনি একজন পুরুষ কর্মকর্তাকে দিয়ে গার্ড অব অনার দিতে বলেন।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অসম্মান করার কারণে এ ইউএনওকে রোববারের (৩০ এপ্রিল) মধ্যে সখীপুর থেকে সরিয়ে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান কাদের সিদ্দিকী।

মুক্তিযোদ্ধার লাশের সঙ্গে কি ‘বেয়াদবি’ নারী ইউএনওর, কেন আপত্তি কাদের সিদ্দিকীর

মুক্তিযোদ্ধার লাশের সঙ্গে কি ‘বেয়াদবি’ নারী ইউএনওর, কেন আপত্তি কাদের সিদ্দিকীর

তিনি আরও বলেন, ‘আব্দুল হামিদ খান একজন বড় মাপের বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। দেশ স্বাধীন হলেও দেশের স্বাধীনতা অর্থবহ হয় নাই,  মুক্তিযোদ্ধারা যথাযথ সম্মান পায়নি। আমি খুবই মর্মাহত পুলিশের গার্ড অব অনার নিয়ে। রাত বারোটার দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মারা গেলেও শনিবার বেলা দুইটার মধ্যে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিতে কেউ আসেননি। মেয়ে যত বড়ই হোক মেয়েদের জানাজায় শামিল হওয়ার সুযোগ নেই।’
 
এরপর ইউএনও চলে গেলে ওই বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলম বলেন, ‘আমি জানাজার নামাজ পড়তে যাইনি। আমি গিয়েছিলাম বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের জন্য। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী হাজার লোকের সামনে আমাকে অপমান করেছেন।’
 
তিনি বলেন, ‘কাদের সিদ্দিকী নিঃসন্দেহে একজন বড় মাপের বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই।’

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status