|
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনা
উদ্বেগ ওয়াশিংটনের, নিরাপত্তা হুমকি দেখছে না ঢাকা
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() উদ্বেগ ওয়াশিংটনের, নিরাপত্তা হুমকি দেখছে না ঢাকা তিনি বলেন, শাহীনবাগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে হওয়া অপ্রীতিকর ঘটনাকে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের সম্পর্কের অবনতি ঘটারও কোনো আশঙ্কা নেই। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে বুধবার (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার) ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র ভিদান্ত প্যাটেল বলেছেন, 'ঢাকায় রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা ১৪ ডিসেম্বর একটি বৈঠক দ্রুত শেষ করেছেন নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে। আমরা আমাদের উদ্বেগের বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে জানিয়েছি।' তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হিসেবে মানবাধিকার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যখন স্বাধীন গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ এবং অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের স্থান সংকুচিত হয়, তখন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রধান উপাদান হিসেবে মানবাধিকারের বিষয়টি বাংলাদেশের সংশ্নিষ্টদের কাছে তুলে ধরা হয়। গত বুধবার সকালে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে 'মায়ের ডাক' সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ২০১৩ সালে নিখোঁজ হওয়া বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনের বাসায় যান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তবে তিনি শাহীনবাগে সেই বাসার সামনে পৌঁছার আগেই সেখানে অবস্থান নেন 'মায়ের কান্না' নামে আরেকটি সংগঠনের সদস্যরা। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কাছে তাঁরা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় কিছুটা ধাক্কাধাক্কি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে স্বল্প সময়ের মধ্যে মায়ের ডাকের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে বের হয়ে যান মার্কিন দূত। এর পর দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানান তিনি। গতকাল পররাষ্ট্র সচিব বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক অনেক দিনের পুরোনো। বেশিরভাগ দেশের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক আছে। সুতরাং, একটা ঘটনা বা এ ধরনের আচরণে সেই সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে- বিষয়টি এ রকম নয়। সম্পর্কের অবনতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা আমরা করছি না। ঘটনার আকস্মিকতার কারণে তাদের (যুক্তরাষ্ট্র) প্রতিক্রিয়া হয়েছে। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। তাদের সঙ্গে অবশ্যই আমাদের আরও অনেক যোগাযোগ হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, পুরো বছরই আমরা তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ রক্ষা করেছি। প্রচুর সফর হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে সফর হয়েছে; তাদের পক্ষ থেকেও হয়েছে। এসব কারণে একটা গুজব ছড়িয়েছিল- ১০ ডিসেম্বর আবার নিষেধাজ্ঞা আসছে। কিন্তু সে রকম আমরা কিছু দেখিনি। সুতরাং এটা প্রমাণ করে- যুক্তরাষ্ট্রও এ সম্পর্ককে গুরুত্ব সহকারে নেয়। কূটনীতিকদের চলাফেরা বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, কূটনীতিকরা যদি কোনো স্পর্শকাতর এলাকায় যান যেমন পার্বত্য চট্টগ্রাম, তখন অনুমতির প্রয়োজন আছে। ঢাকা শহরে কখন কোথায় গেলেন, এটা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানোর রীতি নেই। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
