|
হতাশা থেকেই সাংবাদিক তুলির আত্মহত্যা
নতুন সময় ডেস্ক
|
|
হতাশা থেকেই সাংবাদিক তুলির আত্মহত্যা বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে হাজারীবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুজ্জামান বলেন, ঘটনার পর আমরা সোহানা তুলির স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছি। তুলি মারা যাওয়ার আগে তার মানসিক হতাশার কথা ছোট ভাই মোহাইমিনুলকে জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে চাকরি এবং ব্যবসার অবস্থা নিয়ে এ হতাশা কাজ করছিল। এ কারণেই আমরা প্রাথমিকভাবে ধরে নিচ্ছি যে তুলি আত্মহত্যা করেছেন। তার শরীরের কোথাও জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি যে বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়, সেই বাসার জানালা ভেঙে কেউ ভেতরে প্রবেশ করেছে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তারপরও ময়নাতদন্ত হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পরই তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আমরা জানতে পারবো বলে ধারণা করছি। মোহাইমিনুল ইসলাম বলেন, আমি যশোর থাকি। আপুর ঘটনা শুনে ঢাকায় এসেছি। মৃত্যুর আগে তার সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। কিন্তু তিনি এভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন তা বুঝতেও পারিনি। তাহলে আমরা আগে থেকেই ব্যবস্থা নিতাম। পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করেন তুলি। এরপর দৈনিক আমাদের সময়, কালেরকণ্ঠ এবং সর্বশেষ তিনি বাংলা ট্রিবিউনে সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর তিনি ট্রিবিউন থেকে চাকরি ছেড়ে দেন। এর কিছুদিন পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। সম্প্রতি একটি অনলাইন শপ খুলে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। বুধবার (১৩ জুলাই) হাজারীবাগ থানার রায়েরবাজার এলাকার একটি বাসা থেকে তুলির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বাসায় তিনি এক বান্ধবীর সঙ্গে থাকতেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
