লক্ষ্মীপুরে যৌতুক না পেয়ে হাত-পা বেঁধে গৃহবধূর মাথা ন্যাড়া করায় পাখি বেগম নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এখনো পলাতক রয়েছেন গৃহবধূর স্বামী।
মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার মধ্য চররমনী মোহন গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী গৃহবধূকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
এর আগে, এ ঘটনায় স্বামী-ননদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী রুমা আক্তার। মামলার পর অভিযান চালিয়ে ননদ পাখিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি জসিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় মামলার পর অভিযুক্ত ননদ পাখিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রধান আসামি গৃহবধূর স্বামী হাসানকেও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রোববার রাতে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে হাত-পা বেঁধে রুমাকে মারধর করেন হাসান ও তার বোন পাখি বেগম। একপর্যায়ে রুমার মাথার সামনের চুল কেটে দেন তারা। পরে তাকে হাত-পা বেঁধে রেখেই পালিয়ে যান হাসান। খবর পেয়ে সোমবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করেন ইউপি সদস্য মনির হোসেন।
ভুক্তভোগী রুমা বলেন, বিয়ের পর যৌতুক হিসেবে হাসানকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এখন আবার তিন লাখ টাকা দাবি করেন। মা-বাবার কাছে বলার জন্য আমাকে চাপ সৃষ্টি করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আমার ওপর অমানুষিক নির্যাতন নেমে আসে। একপর্যায়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করেন আমার স্বামী ও ননদ । পরে আমার মাথার সামনের চুল কেটে ন্যাড়া করে দেন।