ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১৯ মে ২০২৬ ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্যবসায় কত শতাংশ লাভ করা যায়
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Thursday, 17 February, 2022, 1:07 PM

ব্যবসায় কত শতাংশ লাভ করা যায়

ব্যবসায় কত শতাংশ লাভ করা যায়

ব্যবসায় ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মতি ও সন্তুষ্টি থাকা জরুরি। তাই ইসলাম ক্রেতা ও বিক্রেতার ওপর লাভের হার নির্ধারণের বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছে


ব্যবসায় ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মতি ও সন্তুষ্টি থাকা জরুরি। তাই ইসলাম ক্রেতা ও বিক্রেতার ওপর লাভের হার নির্ধারণের বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছে। কেনাবেচায় ক্রেতা ও বিক্রেতার পণ্য সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান থাকা সাধারণ বুদ্ধি-বিবেচনার দাবি। বিক্রেতা তার লাভ-লোকসান বিবেচনায় পণ্যের দাম চাইবে আর ক্রেতা দেখেশুনে আর্থিক সংগতি অনুযায়ী দাম বলবে।

অতঃপর তারা যে দামে সম্মত হবে সে দামে লেনদেন হবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনরা, তোমরা একে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস কোরো না; তবে যদি তা তোমাদের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে ব্যবসার মাধ্যমে হয়, তাহলে ভিন্ন কথা। ’ (সুরা নিসা, আয়াত : ২৯)

ইসলাম ব্যবসায় লাভের হার নির্ধারণ করে দেয়নি। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, উরওয়া বারিকি (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) একটি বকরি কিনে দেওয়ার জন্য তাকে একটি দিনার দেন। তিনি ওই দিনার দিয়ে দুটি বকরি কেনেন। অতঃপর এক দিনার মূল্যে একটি বকরি বিক্রি করে দিলেন এবং নবী (সা.)-এর খিদমতে একটি বকরি ও একটি দিনার নিয়ে উপস্থিত হলেন। তা দেখে তিনি তার ব্যবসা-বাণিজ্যে বরকত হওয়ার জন্য দোয়া করেন। পরে তার অবস্থা এমন হলো যে ব্যবসার জন্য যদি মাটিও তিনি কিনতেন তাতেও তিনি লাভবান হতেন। (বুখারি, হাদিস : ৩৬৪২)

এই হাদিসে দেখা যায়, একটি বকরিতে ১০০ শতাংশ লাভ করার পরও নবী (সা.) কোনো আপত্তি করেননি; বরং তার জন্য দোয়া করেছেন। এ থেকে বোঝা যায়, বিক্রেতা কত শতাংশ লাভ করবে—সে ব্যাপারে তার স্বাধীনতা আছে। ক্রেতার পণ্য পছন্দ হলে বাজারদর যাচাই-বাছাই করে সে দামে ক্রয় করবে অথবা করবে না।

তবে ইসলামী অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, অভাব, দুর্ভিক্ষ, মহামারি ও সংকটময় মূহূর্তে জীবন ধারণের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যে সীমাতিরিক্ত লাভ করা বৈধ নয়। (যেমন খাদ্য, পানীয়, ঔষধ ইত্যাদি) বরং তা যথাসম্ভব কম লাভে বিক্রি করবে।

কিন্তু ইসলাম একজন মুসলিম ব্যবসায়ীর জন্য ব্যবসায় নীতি-নৈতিকতা অবলম্বন করার তাগিদ দিয়েছে। যেমন—দাম চাওয়ার ক্ষেত্রে মিথ্যা বলা যাবে না। বাজারদর থেকে সীমাতিরিক্ত দাম চাইবে না। মজুদদারি করবে না। পণ্যের দাম সম্পর্কে ক্রেতার অজ্ঞতার সুযোগে তাকে ঠকাবে না। বেচা-কেনার ক্ষেত্রে নম্রতার পরিচয় দেবে।   জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ এমন ব্যক্তির প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, যে নম্রতার সঙ্গে ক্রয়-বিক্রয় করে এবং পাওনা ফিরিয়ে চায়। ’ (বুখারি, হাদিস : ২০৭৬)

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status