ইসি ও বিচারপতি নিয়োগে যেভাবে তৈরি করা হবে আইনের খসড়া
উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগ ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে দুটি আইনের খসড়া তৈরি করা হচ্ছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, তবে ২০২২ সালে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের আগে আইন করা সম্ভব হবে না। সংসদের আগামী বা তার পরের অধিবেশনে এই আইন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
রোববার জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) বিল ২০২১ বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের আলোচনায় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে বিলটির ওপর আলোচনাকালে বিএনপির এমপিরা অভিযোগ করেন—খালেদা জিয়ার বাসাকে সাব-জেল বানিয়ে তাকে সেখানে রাখা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘উনারা কেবল বলেন সাব-জেল বানিয়ে রাখা হয়েছে। উনার বাসাটাকে কোনও জেলই বানানো হয়নি। উনাদের (বিএনপির) তথ্যে কেন এত বিভ্রাট তা বুঝতে পারি না। এতই যদি ভালোবাসা থাকে, তাহলে তো তথ্যটি জেনে এখানে কথা বলতে পারেন। এত সুপারফিসিয়ালি কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক কারণে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তাকে (খালেদা জিয়াকে) ৬ মাস করে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি সম্পূর্ণ মুক্ত। সেখানে দুটো শর্ত যুক্ত ছিল, সেটা এখনও আছে।’
আনিসুল হক আরও বলেন, ৪০১ ধারায় যাকে মুক্তি দেওয়া হবে তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না, এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু কথা আছে শর্তযুক্ত অথবা শর্তমুক্ত। আমরা সেখানে বলেছি উনি বিদেশ যেতে পারবেন না, বাংলাদেশে থেকে চিকিৎসা নেবেন। উনি অবশ্যই মুক্ত। উনি আমাদের কাস্টডিতে নেই, সরকারের কাস্টডিতে নেই।