|
তাড়াশে চাঞ্চল্যকর মতিন হত্যা মামলার ৪ আসামী আটক
আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জ
|
![]() তাড়াশে চাঞ্চল্যকর মতিন হত্যা মামলার ৪ আসামী আটক চলতি বছরের (১৬ জুন) বুধবার সকালে গুল্টাবাজার দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে একদল কিশোর ফুটবল খেলছিলেন। হঠাৎ তাদের বলটি বিদ্যালয়ের নলকক‚প ও পায়খানার প্রাচীরের মধ্যে যায়। তখন তারা বল খুজতে গিয়ে লাশ দেখতে পান। পরে থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায় এবং মতিনের ভাই মোতালেব থানায় অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় ২৫ আগষ্ট মঙ্গলবার ৪ জনকে আটক করা হয় । এর মধ্যে দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন। আটককৃতদের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে আলোচিত এই হত্যাকান্ডের বর্ননা করতে গিয়ে সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার বলেন রেজাউল করিম, নিহত মতিনের দোকানের পাশেই ইলেকট্রনিক্সের ব্যবসা করতেন আরিফুল ইসলাম। মতিনের ব্যবসার উন্নতি দেখে ঈর্ষাকাতর হয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করে আরিফ। তিনি আর ও জানান, তিন-চার মাস আগে স্থানীয় স্কুলমাঠে একটি ইসলামি জলসায় বক্তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করেও আরিফ ও মতিনের কথা কাটাকাটি হয়। এতে আরিফের টার্গেটে পরিণত হয় মতিন। ঘটনার দিন ১৬জুন ২০২১ রাত একটার দিকে মতিন দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি যাওয়ার সময় তার গতিরোধ করে নিরঞ্জন, নিরঞ্জনের স্ত্রী পদ্মা, নিরঞ্জনের ছেলে মিঠুন ও আরিফ। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নিরঞ্জন ও আরিফের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় মতিনের। এসময় নিরঞ্জনের সহায়তায় মতিনের ঘাড় মটকে দেয় আরিফ। কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান মতিন। ঘটনা ধামাচাপা দিতে প্রথমে মতিনের নিথর দেহ ১৫ মিনিটের মতো নিরঞ্জনের বাড়িতে রাখা হয়। তার মোটরসাইকেলটি ঘটনাস্থল থেকে ২ /৩ কিলোমিটার দূরে ডোবার মধ্যে রেখে আসা হয়। এরপর হাইস্কুল মাঠের পাশে টয়লেটের ছাদে উঠে মতিনের মরদেহ নিচে ফেলে দেওয়া হয়।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
