|
বাগমারায় গোয়ালঘরে পুড়ে মরল কৃষকের তিনটি গরু
বাগমারা প্রতিনিধি
|
![]() বাগমারায় গোয়ালঘরে পুড়ে মরল কৃষকের তিনটি গরু স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্য সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রুহিয়া গ্রামের কৃষক আবদুল জব্বার চাষাবাদের পাশাপাশি গরু পালন করে আসছিলেন। বাড়ির পাশে গোয়ালঘর নির্মাণ করে সেখানে নিয়মিত পালন করেন গরু। তিনিসহ পরিবারের লোকজন গরুগুলোর পরিচর্যা করেন। শুক্রবার ২ জুলাই, রাতে চারটি গরুকে গোয়ালঘরে রেখে তালাবদ্ধ করে বাড়িতে চলে যান। রাত আটটার দিকে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে গোয়ালঘরে আগুন ধরে যায়। আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে ও গোয়ালঘরে থাকা গরুর চিৎকারে কৃষকসহ আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এসময় স্থানীয় ফায়ারস্টেশনেও মুঠোফোনে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার স্টেশনের একদল কর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। তাঁরা স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হলেও গোয়ালঘরে থাকা চারটি গরুর মধ্যে বড় তিনটি গরু পুড়ে মরে যায়। তবে স্থানীয় লোকজনের প্রচেষ্টায় গোয়ালঘরের দরজার সামনে থাকা একটি ছোট আকারের গরুকে লোকজন জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পুড়ে মরে যাওয়া গরু তিনটি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করেন। পরে পোড়া গরু তিনটি মাটি খুঁড়ে পুঁতে ফেলা হয়। বাগমারা ফায়ারস্টেশনের লিডার মিজানুর রহমান বলেন, তাঁরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে পেরেছেন। তবে গরু তিনটি আগুন পুড়ে মারা যায়। বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। গরু তিনটির মূল্য প্রায় তিন লাখ এবং গোয়ালঘরসহ প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন। প্রতিবেশি মোশারফ হোসেন জানান, কৃষক জব্বার প্রতি কোরবানির ঈদের আগে গরু বিক্রি করে থাকেন। এজন্য গরুগুলোর প্রতি বেশি যত্ন নেন। আগুন গরু পুড়ে মরাতে পুঁজি শেষ হয়ে গেছে। কৃষক আবদুল জব্বার কান্নাজড়িত কণ্ঠে এই প্রতিবেদককে বলেন, এবারের কোরবানিতে বিক্রির জন্য পরিচর্যা করে গরুগুলোকে মোটাতাজা করেন। এর মধ্যে তিনটি বিক্রির উপযোগিও হয়েছিল। তবে আগুনে সব শেষ হয়ে গেল। বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরিফ আহম্মেদ জানান, তিনি বিষয়টি জানেন না। এরকম হলে ঘটনাটি মর্মান্তিক। খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
