ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মুঠোফোনের নম্বরের সূত্র ধরে গ্রেপ্তার
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Monday, 2 November, 2020, 9:01 PM
ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মুঠোফোনের নম্বরের সূত্র ধরে গ্রেপ্তার
মুঠোফোনের নম্বরের সূত্র ধরেই বগুড়ায় মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে বগুড়া সদর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া যুবক বগুড়া সদরের কাহলা গ্রামের আলতাব হোসেনের ছেলে আমিনুর (২৭)। রোববার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় বগুড়া সদর থানায় মামলা করেছেন মাদরাসা ছাত্রীর বাবা সদর উপজেলার দাড়িয়াল গ্রামের বাসিন্দা। মামলা ও শিক্ষার্থীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২৪ অক্টোবর থেকে অপরিচিত নম্বরে অপরিচিত একজনের সাথে কথা বলে অষ্টম শ্রেণির মাদরাসা পড়ুয়া ছাত্রী। তিনদিনের মাথায় ছেলেটা মেয়েটার সাথে দেখা করতে চায়। ছেলেটা তার নাম বলে সাগর। ২৭ তারিখ সন্ধ্যার পর থেকে কথিত সাগর বারবার ফোন দিতে থাকে মেয়েটিকে। মাদরাসা ছাত্রী একপর্যায়ে বাসা থেকে বের হতে রাজি হয়। মেয়েটাকে নানা কৌশলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে আনে সাগর। রাত সাড়ে বারটার দিকে প্রেমিকের সাথে দেখা করার উদ্দেশ্য নিয়ে মেয়েটা বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। কথিত সাগর পেশায় সিএনজি চালক, সে মেয়েটিকে তার নিজের সিএনজিতে উঠিয়ে দাড়িয়াল গ্রাম থেকে পার্শ্ববর্তী একটা জঙ্গলের ভেতরে ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছেড়ে দেয়। ধর্ষণের শিকার ছাত্রী বাড়িতে এসে সব কথা মা-বাবাকে জানায়।
বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, রবিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে মেয়েটা,তার মা,বাবা এবং মামাসহ তাকে বিষয়টি অবগত করেন। একমাত্র মোবাইল নম্বর ছাড়া তারা কিছুই বলতে পারেনি। সেই নম্বরের বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনে বগুড়া শহরের একজন সত্তর বছর বয়সীর নাম। তাকে খুঁজে পাওয়াও সম্ভব না হলেও শুধুমাত্র মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সদর থানার এসআই রায়হান এবং নুর আমিনকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে রাত ১ টা ৪৯ মিনিটে অভিযু্ক্ত আমিনুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো জানান, মাদরাসা ছাত্রী অভিযুক্ত আমিনুরকে শনাক্ত করেছে।
বগুড়া সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, এ ঘটনায় সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।