সাবেক কৃষ্ণাঙ্গ বাস্কেটবল তারকা জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ভিডিও সামনে আসার পর থেকে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র। ক্রমশ গোটা বিশ্বে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে। শেতাঙ্গ পুলিশের হাতে তিনি খুন হওয়ায় অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো ফুঁসে উঠেছেন কালো বর্ণের মানুষগুলো।
সমাজের সর্বস্তরে এর প্রভাব পড়েছে। রাজনীতি, বিনোদন, খেলাধুলা– সব ক্ষেত্রের মানুষই নিজেদের মতো করে নারকীয় এ ঘটনার ধিক্কার জানাচ্ছেন। সবাই বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলছেন।
বাস্কেটবল কিংবদন্তি মাইকেল জর্ডান থেকে শুরু করে ফর্মুলা ওয়ান তারকা লুইস হ্যামিল্টন, কিংবদন্তি সেরেনা উইলিয়ামস থেকে উঠতি টেনিস তারকা কোকো গফ। তরুণ ফুটবলার জর্ডন স্যাঞ্চো থেকে সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পে– সবাই প্রতিবাদে মুখরিত হয়েছেন।
এমন তীব্র প্রতিবাদের মাঝেই জর্জ ফ্লয়েডের শেষকৃত্যের খরচ নিজের কাঁধে তুলে নিলেন বক্সিং কিংবদন্তি ফ্লয়েড মেওয়েদার। এটিই তার প্রতিবাদের ভাষা। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সারের এ উদ্যোগের কথা জানিয়েছে প্রমোশনাল সংস্থা ‘মেওয়েদার প্রোডাকশনস’। তার প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে নিহতের পরিবারও।
গেল ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের মিনোপোলিসে টানা ৮ মিনিট হাঁটু দিয়ে গলা চেপে ফ্লয়েডকে হত্যা করে এক পুলিশ কর্মকর্তা। সঙ্গে সঙ্গে তা ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে যায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে মার্কিনমুলুকে।
৪৬ বছর বয়সী আফ্রো-আমেরিকান ফ্লয়েড মার্ডারের ন্যায়বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন কৃষ্ণাঙ্গরা। তাদের এখন সমর্থন দিচ্ছেন জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে দোকানপাট, স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করেছেন তারা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ কয়েকটি শহরে কারফিউ ও সেনা মোতায়েন করেছে মার্কিন প্রশাসন। তবু থামানো যাচ্ছে না মিটিং, মিছিল ও সমাবেশ। রাগে-ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন বিক্ষোভকারীরা। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস