ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
করোনা শিশুদের মধ্যে উপসর্গ ছাড়াই থাকতে পারে দীর্ঘদিন
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Sunday, 29 March, 2020, 8:44 PM

করোনা শিশুদের মধ্যে উপসর্গ ছাড়াই থাকতে পারে দীর্ঘদিন

করোনা শিশুদের মধ্যে উপসর্গ ছাড়াই থাকতে পারে দীর্ঘদিন

প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের মধ্যে করোনাভাইরাস দীর্ঘদিন সুপ্ত অবস্থায় এমনকি বাহ্যিক কোনও উপসর্গ ছাড়াই থাকতে পারে। চীনের নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে এ নতুন তথ্য।

দ্য সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানায়, গত সপ্তাহে দ্য ল্যানসেট ইনফেকশাস ডিজিজ এ চীনের ঝেজাং প্রদেশের করোনা আক্রান্ত শিশুদের ওপর একটি গবেষণা করা হয়েছে।

আক্রান্ত ৩৬ শিশুর উপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে ১০ থেকে ২৮ শতাংশ শিশু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও তাদের মধ্যে কোনও উপসর্গ দেখা যায়নি। আক্রান্তদের মধ্যে কেবল সাত জনের হালকা শ্বাসজনিত সমস্যা দেখা গিয়েছিল।

শিশুদের ওপর করোনার প্রভাব নিয়ে দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন প্রকাশিত অন্য একটি গবেষণায়ও প্রায় একই ফলাফল দেখা গেছে। উহানের ১৭১ শিশুর উপর গবেষণা করে দেখা গেছে ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ ক্ষেত্রে কোনো উপসর্গই ছিল না। ১২ শতাংশ শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিউমোনিয়া ধরা পড়লেও সংক্রমণের কোনো বাহ্যিক লক্ষণ ছিল না।

ঝেজাংয়ের গবেষকরা বলেন, আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশের মধ্যে কোনও উপসর্গ না থাকায় অনেক শিশু বিশেষজ্ঞ রোগ শনাক্ত করতে গিয়ে নানা জটিলতার মুখে পড়েছেন। উপসর্গ না থাকলেও শিশুরা ভাইরাসটি বহন করে অন্যদের মধ্যে ছড়াতে পারে। এটা অত্যন্ত বিপদজনক।

জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত চীনে মোট আক্রান্তের পাঁচ শতাংশ ছিল নিংবো ও ওয়েনজু অঞ্চলের বাসিন্দা। নিংবো ‘সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’ সেখানকার এক থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের ওপর একটি গবেষণা চালায়।

দেখা যায়, অসুস্থ শিশুদের প্রায় ৫০ শতাংশই গুরুতর কোনও অসুখে ভোগেনি, হালকা অসুস্থ হয়েছিল। প্রত্যেকেই ১৪ দিনের আগেই সুস্থ হয়ে ওঠে। যেসব শিশুদের মধ্যে তাৎক্ষণিক করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা গিয়েছিল তারা কেবল শুকনো কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল, গলা ব্যথা কিংবা শ্বাসকষ্ট দেখা যায়নি।

উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো, ওই সময়ে অসুস্থ হওয়া প্রত্যেকটি শিশুর পরিবারেই অন্তত একজন করোনা আক্রান্ত সদস্য ছিল কিংবা কোনও না কোনও ভাবে তারা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।

যেসব শিশুরা ওই শহর দু’টিতে করোনার চিকিৎসা নিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় তাদের মধ্যে জ্বরের তীব্রতা ও অন্যান্য উপসর্গ ছিল অনেক কম। 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status