শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার চামটা ইউনিয়নের সন্তান ইউসুফ হোসেন সুজনকে যুবলীগের সপ্তম জাতীয় কংগ্রেস উপলক্ষে গঠিত প্রস্তুতি কমিটির খাদ্য উপ কমিটির সদস্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
ইউসুফ হোসেন সুজন বর্তমানে কেন্দ্রীয় যুবলীগের বিদায়ী কমিটিতে সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি স্কুল জীবন থোকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত। কলেজে সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যলয় ক্যাম্পাসেও দুঃসময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন।
চলমান শুদ্ধি অভিযানে অনেক নেতিকর্মী আত্মগোপনে গিয়ে আতঙ্কে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসা থেকেও বিরত থাকেন। তবে ওই সময়েও যুবলীগের রাজনীতিতে পরিচ্ছন্ন ও সৎ হিসেবে পরিচিত ইউসুফ হোসেন সুজন সব সময়ে কার্যালয়ে কর্মীদের নিয়ে অবস্থান করেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশিত পদে পরিচালিত এই যুব নেতা আসন্ন কংগ্রেসে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবেন বলে তার কর্মীরা আশা করেন।
অবশ্য ইউসুফ হোসেন সুজন বলেন, তিনি সংগঠনে কোনো পদ না পেলেও জাতির জনকের আদর্শ নিয়ে রাজনীতির মাঠে থাকবেন। দেশরত্ম শেখ হাসিনার নির্দেশ ও সিদ্ধান্তই তার কাছে শেষ কথা।
এই যুব নেতার ঘনিষ্ঠ কর্মীরা জানান, সুজন কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতা হলেও বিগত জাতীয় নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রার্থী জননেতা একেএম এনামুল হক শামীমের নৌকা প্রতীকের নির্বাচন করতে নড়িয়া ছুটে গেছেন। তিনি নিজ ইউনিয়ন চামটায় তখন স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে এনামুল হক শামীম ও নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করেন। নৌকার বিজয়ের পর স্থানীয় এমপির নির্দেশে তিনি নিয়মিত এলাকায় নানা কর্মসূচিতেও অংশ নিচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, সুজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তার বাবা ইসমাইল হোসেন মৃধা নড়িয়ির চামটা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। এরশাদ শাসানামলের পরবর্তী সময়ে তার হাত ধরেই ওই এলাকায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি মজবুত হয়। চামটা নৌকা মার্কার ঘাটিতে পরিনত হয়।
উল্লেখ্য, এরই মধ্যে নিজের যোগ্যতা দিয়ে সুজন নড়িয়া-সখিপুরের সাংসদ, পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীমের আস্থা অর্জন করেছেন। তা সাংগঠনিক দক্ষতায় স্থানীয় এমপি তাকে স্নেহ করেন।