|
টিটন হত্যায় মামলা, গরুর হাট নিয়ে ‘পিচ্চি হেলালের’ সঙ্গে বিরোধের অভিযোগ বড় ভাইয়ের
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() টিটন হত্যায় মামলা, গরুর হাট নিয়ে ‘পিচ্চি হেলালের’ সঙ্গে বিরোধের অভিযোগ বড় ভাইয়ের রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা করেছেন তার বড় ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন। নিউ মার্কেট থানার ওসি মোহাম্মদ আইয়ুব বলেন, টিটন হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন বুধবার সকালে অজ্ঞাতনামা ৮-৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। এ দিন বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গ থেকে ছোট ভাইয়ের লাশ বুঝে নেন রিপন। এ সময় বসিলা গরুর হাট নিয়ে আরেক ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলালের সঙ্গে টিটনের বিরোধের কথা সাংবাদিকদের বলেন তিনি। রিপন দাবি করেন, হত্যার শিকার হওয়ার কয়েক দিন আগে বছিলার গরুহাট নিয়ে হেলালের সঙ্গে বিরোধের কথা তাকে বলেছিলেন টিটন। তিনি বলেন, “আমারে বলছে পিচ্চি হেলালের সঙ্গে বসিলার গরুর হাট নিয়ে ঝামেলা চলতেছে। একটু পরে আবার বলছে, না বড় ভাই, ওরকম কিছু না, ঠিক হয়ে যাবেনে, দোয়া কইরেন।" মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নিউ মার্কেটের পশ্চিম পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলায় টিটনকে গুলি করে হত্যা করে মোটরসাইকেল আরোহী দুই মুখোশধারী। ২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ ‘শীর্ষ সন্ত্রাসীর’ তালিকার ২ নম্বরে তার নাম ছিল। টিটনের ভগ্নিপতি আরেক ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সানজিদুল ইসলাম ইমন। তারা দুজনই মোহাম্মদপুরের ‘সন্ত্রাসী চক্র’ হারিছ-জোসেফ গ্রুপে যুক্ত ছিলেন। টিটনের তৎপরতা ছিল ধানমণ্ডি ও হাজারীবাগ এলাকায়। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর টিটনসহ পুলিশের তালিকায় থাকা আরও কয়েকজন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর টিটন আর আদালতে হাজিরা দেননি। রিপন বলছেন, ৫ অগাস্টের পর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে টিটন দুইবার গ্রামের বাড়ি যশোরে গিয়েছিলেন। পুলিশের নিউ মার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ নাসিম বলেন, “সেখানে (হত্যার ঘটনাস্থল) সেভাবে কোনো সিসিটিভি ভিডিও পাওয়া যায়নি। দূরে একটি ফুটেজে হত্যার ঘটনার পর একটি সন্দেহভাজন মটরসাইকেলকে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করতে দেখা গেছে। মটরসাইকেলটিতে চালকসহ দুইজন ছিল। পেছনের জন কিলার বলে ধারণা। মোটরসাইকেলের নম্বর, মডেল বের করার কাজ চলছে।” নিউ মার্কেট থানায় হওয়া মামলার তদন্তে জড়িত এক কর্মকর্তা বলেন, মামলায় বাদী পিচ্চি হেলাল, কিলার বাদল, ড্যাগার রনিসহ কয়েকজনকে সন্দেহভাজন হিসাবে দেখিয়ে বলেছেন, তারা কিছুদিন আগে বসিলা গুরুর হাট নিয়ে টিটনকে হুমকি দিয়েছিলেন। তাদের পরিবারের সদস্য সানজিদুল ইসলাম ইমনের সঙ্গে বিরোধকে ‘হত্যাকাণ্ডের অন্যতম কারণ’ হিসেবে বলা হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে। এ বিষয় প্রশ্ন করলে টিটনের ভাই বলেন, “ইমনের সঙ্গে কোনো বিরোধ ছিল বলে আমি জানি না। পরিবারের ভাই-বোনের মধ্যে ছোটখাট ঘটনা থাকতে পারে। এটা খুন করার মত কোনো বিরোধ বলে আমি মনে করি না।” জামাতা হলেও ইমন তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি ‘যত্নবান’ দাবি করে রিপন বলেন, “ইমন আমার মায়েরও যত্ন করত। আমার দৃষ্টিতে সে (ইমন) ভালো ছেলে।” |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
ভূরুঙ্গামারীতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর বাড়িতে লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি
বাগমারায় ভবানীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিক্ষোভ
বাঘাইছড়িতে দমকা হাওয়ায় গাছ পালা ভেঙ্গে জনদুর্ভোগ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় যান চলাচল স্বাভাবিক
কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে ভাই-বোনদের বিরোধ: ধান কাটতে বাধা, থানায় অভিযোগ
