আপনাকে কেউ তার সঙ্গে হোটেলে রাত কাটানোর প্রস্তাব দিলো, আপনি ‘না’ করে দিলেন। এই যে ‘না’ করে দিলেন, কিন্তু ঢাকঢোল পিটিয়ে সবাইরে জানাননি কেন, সেই কারণে আপনার শাস্তি হচ্ছে। হ্যাশট্যাগ সাকিব টু লিখে স্ট্যাটাস দিলেও এই কষ্ট কমবে না। প্রতিবাদের ভাষা জানা নেই। তবে, যেভাবে ব্যাপারটা আইসিসির নাম দিয়ে পত্রিকায় আসছে, বাস্তব কাহিনি ভিন্ন বলে আমার মনে হয়।
যেমন : বিসিবি যদি সাকিবকে ডিফেনড করতো যে, সে আমাদের জানিয়েছে, প্রমাণ করা যাবে না ভেবে আমরা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করিনি, তবে কি সাকিব আল হাসানকে এই শাস্তি পেতে হতো? নাকি উল্টো বাঙালি মীর জাফর হয়ে তিলকে তাল বানিয়ে আইসিসির কানে লাগিয়েছে? জানি না।
তবে চরম হাঁদারামও বুঝবে যে জুয়াড়িরা নিজেরাও জানে তাদের ফোনে আড়িপাতা হয়, তবে এই ধরনের প্রস্তাব কেন ফোনে দেবে? তার মানে এটা ট্র্যাপ ছিলো, সেই ট্র্যাপে পা না দেয়ার পরও জোর করে ছেলেটাকে নাকানি চুবানি খাওয়াচ্ছে। এই যে মানসিক স্ট্রেস দিয়ে একটা ক্রিকেটারকে শেষ করে দিচ্ছে, এর পেছেন বাঙালির হাত নেই এটা আমার বিশ্বাস হয় না। জানি না, আমি ঠিক কি ঠিক কিনা। তবে এটুকু জানি, আমার এই দুঃখ ব্যক্তি সাকিব আল হাসানের জন্য। বাংলাদেশ কিংবা বাঙালির জন্য নয়, যারা আরেক বাঙালির অর্জন সইতে পারে না।
আমি যখন মরে যাবো, আমার কবর যেন এই অস্ট্রেলিয়াতেই হয় শুভকে বলে রাখছি। বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবো, এই দেশকেই আমার ঘর মনে হয়, বাড়ি মনে হয়, আপনজন বলতে কিংবা বিশ্বাসের জায়গা বলতে আমি অস্ট্রেলিয়ানদেরই বুঝি। ফেসবুক থেকে