ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ৯ জুন ২০২৬ ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৭ জনের ফাঁসি, মৃত্যুর প্রহর গুণছে ৯০ ইরানি শিশু
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Friday, 25 October, 2019, 5:33 PM

৭ জনের ফাঁসি, মৃত্যুর প্রহর গুণছে ৯০ ইরানি শিশু

৭ জনের ফাঁসি, মৃত্যুর প্রহর গুণছে ৯০ ইরানি শিশু

গত বছরের শুরু থেকে অন্তত ১২ জন শিশু অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ইরানের আদালত। সেই সঙ্গে কমপক্ষে ৯০ জন শিশু মৃত্যুর প্রহর গুণছে, পরিণত বয়স হলেই তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।

দেশটির আদালত গত বছর অন্তত ২৫৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। ২০১৩ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে মোট ২১ জন শিশুকে। ইরানের শিশুদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গে জাতি সংঘের রিপোর্টে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

জাতিসংঘের ওই বিশেষ প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে ২০১৭ সালে দেশ জুড়ে প্রায় ৫০৭ জনের ফাঁসির সাজা শোনায় দেশের বিচারালয় গুলি। পাশাপাশি ২০১৮ সালে ৭ জন এবং চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দুজন নাবালককে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে সে দেশের ন্যায়ালয় গুলি।

অন্যদিকে ১৮ বছরের নিচে কোনও নাবালকের মৃত্যুদণ্ডের সাজা জাতি সংঘের মানবাধিকার আইনেরও পরিপন্থী বলেন জানান জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ জাভেদ রহমান।

বুধবার জাতি সংঘের সাধারণ পরিষদের মানবাধিকার বিষয়ক একটি বিশেষ অধিবেশনে এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বাসযোগ্য সূত্র মারফত তিনি জেনেছেন এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯০ জন নাবালক ইরানে ফাঁসির অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।’

ইরানে নিয়োজিত মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ তদন্তকারী দলের এই সদস্য ওই দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রসঙ্গে এদিনের সভায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘ ২০১৭ সালের পর ২০১৮ সালেও প্রায় ২৫৩ জনের ফাঁসির সাজা শোনায় সে ইরানের আদালতগুলি। পাশাপাশি দেশের রক্ষনশীদের মতে চলতি বছরেই দেশের অপরাধ দমনে এখন পর্যন্ত প্রায় এখনও পর্যন্ত ১৭৩ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।’

যদিও অন্যদিকে তিনি ২০১৭ সালে ইরানের মাদক-বিরোধী আইনের সংশোধনীকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘ এই সংশোধনের ফলে দেখা যাচ্ছে ২০১৭ সালের পর ২০১৮তে মৃত্যুদণ্ডের হার কমেছে। তবে মানবাধিকার রক্ষার প্রসঙ্গে সে দেশের সরকারের এখনও অনেক কিছু করার আছে। ’

যদিও সার্বিক ভাবে ইরানে অপরাধের প্রবণতা বৃদ্ধি ও পাশাপাশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিমাণ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সে দেশের আর্থ-সামাজিক সমস্যার কথাও তুলে ধরেন জাতি সংঘের ওই বিশেষজ্ঞ। যদিও জাতি সংঘের এই চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশের পরই বিশ্ব জুড়ে সরব হয়েছে একাধিক মানবাধিকার সংগঠনগুলি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status