|
বাঁচানো গেল না পিঁপড়ায় ধরা শিশুটিকে
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
|
বাঁচানো গেল না পিঁপড়ায় ধরা শিশুটিকে শনিবার বিকেলে উপজেলার পূর্বকার্তিপাশা গ্রামের সোহরাব গাজীর বাড়িতে জানাজা শেষে দাফন করা হয় শিশুটিকে। শিশুটির মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন পটুয়াখালীর এডিশনাল এসপি (হেডকোয়ার্টার) শেখ বিলাল হোসেন। তিনিই চিকিৎসার ভার নিয়ে শিশুটিকে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে বরিশাল শেবাচিমে ভর্তি করান। ৪ এপ্রিল নিজের মরিচক্ষেতে একটি শপিং ব্যাগ কুড়িয়ে পান সোহরাব গাজী। ব্যাগে ছিল সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুটি। তার রক্তমাখা শরীরটা কামড়ে ধরেছে অসংখ্য লাল পিঁপড়া। দ্রুত শিশুটিকে বাড়ি নিয়ে স্ত্রী নূরজাহান বেগমের কোলে তুলে দেন তিনি। খবর পেয়ে দুমকী থানার পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু সেখানে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো না থাকায় হাসপাতালের শিশু বিভাগের ডা. সিদ্বার্থ শংকর শিশুটিকে বরিশাল নেয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু দরিদ্র পরিবারটি আর্থিকভাবে সচ্ছল না থাকায় কোথাও নিয়ে যাওয়ার সাহস পাচ্ছিলেন না। তখনই হাজির হন বিলাল হোসেন। সেই থেকে নিজ দায়িত্বে শিশুটির চিকিৎসা করাচ্ছিলেন তিনি। এডিশনাল এসপি শেখ বিলাল হোসেন জানান, ১৮ দিন শিশুটির জন্য হাসপাতালের বারান্দায় পড়ে ছিলেন সোহরাব গাজী ও তার স্ত্রী নূরজাহান। প্রকৃত বাবা-মাকে খুঁজে না পাওয়ায় তাদের বাড়িতেই দাফন করা হয়েছে শিশুটিকে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
