|
শেরপুরে মাজার ভাঙচুরের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
জাহাঙ্গীর হোসেন, শেরপুর
|
![]() শেরপুরে মাজার ভাঙচুরের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের বানেশ্বর্দী কান্দাপাড়া গ্রামে আফরোজ লেংটার মাজারে ওই ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার হওয়া আসাদুজ্জমানের বাড়ি উপজেলার বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের বানেশ্বর্দী কান্দাপাড়া গ্রামে। তার পিতার নাম মৃত ইলাহী বক্স। পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায় বানেশ্বর্দী কান্দাপাড়া গ্রামের মৃত জোনাব আলীর মৃত ২ ছেলে ইলাহী বক্স ও আফরোজ লেংটার মধ্যে আফরোজ লেংটা চিরকুমার ছিলেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত আফরোজ লেংটা কখনও সম্পূর্ণ উলঙ্গ আবার কখনও অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায় পাগল বেশে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়াতেন। প্রায় ৯ বছর আগে আফরোজ লেংটা মারা গেলে পরিবারের লোকজন তাঁকে বাড়ির পাশে তাঁর (আফরোজ লেংটা) রেখে যাওয়া পৈতৃক জমিতে দাফন করেন।পরবর্তীতে সেখানেই ৪ শতক জমিতে আফরোজ লেংটার মাজার নির্মাণ করেন তার ভক্ত, অনুসারি ও পরিবারের লোকজন। পরে কিছুদিন যেতে না যেতেই মাজারের ৪ শতক জমির মালিকানা নিয়ে আফরোজ লেংটার সহোদর ভাই মৃত ইলাহী বক্সের ছেলে আসাদুজ্জামান কেনুর (৫৫) সাথে আসাদুজ্জামানের ভাতিজা (মৃত আক্তার আলীর ছেলে) আবু হানিফার (৪০) বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বিকেলে আসাদুজ্জামান তাঁর কিছু সমর্থক ও নিকটাত্মীয়দের নিয়ে আফরোজ লেংটার মাজার ভাঙচুর করে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন, দানবাক্স ভেঙে সেখান থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা এবং প্রায় ১৩ হাজার টাকা মূল্যের অলংকার নিয়ে যায়। নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জানান ঘটনার খবর পেয়ে তৎক্ষনাৎ সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এব্যাপারে আবু হানিফা বাদী হয়ে আসাদুজ্জামান কেনুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫/২০ জনকে আসামী করে লিখিত অভিযোগ করলে নকলা থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামী আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
