|
ফুডপান্ডার কমিশন-চার্জের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে সেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ফুডপান্ডার কমিশন-চার্জের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে সেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত চট্টগ্রামের রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের উদ্বেগ ও অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ফুডপান্ডার কমিশন ও বিভিন্ন চার্জ কাঠামো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সমিতি। ব্যবসায়ীদের মতে, অনলাইন খাবার সরবরাহের মাধ্যম হিসেবে ফুডপান্ডার সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ হলেও অতিরিক্ত কমিশন ও বিভিন্ন ধরনের চার্জের কারণে রেস্তোরাঁ পরিচালনার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তাদের খাবারের মূল্যেও। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ, ন্যায্য ব্যবসায়িক পরিবেশ ও ভোক্তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে আগামী ৫ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রাম শহরের ছোট-বড় সব ধরনের রেস্তোরাঁয় ফুডপান্ডার সেবা বন্ধ থাকবে। বর্তমান কমিশন ও বিভিন্ন চার্জ কাঠামো পুনর্বিবেচনার দাবিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সমিতি। এদিকে ফুডপান্ডা বাংলাদেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার পণ্য নিয়ে অর্থ পরিশোধ না করা, পণ্য নষ্টের অজুহাতে ভুয়া ফেরত চালান তৈরি এবং চুক্তির বাইরে বিভিন্ন খাতে অর্থ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, জালিয়াতি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী কাজী মফিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আদালতে দায়ের করা মামলার পর গুলশান থানা পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। পরে আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ করে পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার আসামিরা হলেন ফুডপান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দা আম্বারিন রেজা, সহপ্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, পান্ডামার্টের পরিচালক মো. তাবরেজ খান, শ্রেণি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান দিলারা ফারুক এবং জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সাজেদুল হক। মামলার নথি অনুযায়ী, রাজধানীর ব্যবসায়ী ও ফার্স্ট টেলি সেলস কোম্পানির স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির বাদী হয়ে পৃথক চারটি মামলা করেন। চট্টগ্রাম রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি বলছে, খাবার সরবরাহের মাধ্যম ও রেস্তোরাঁ—উভয় পক্ষের স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য ছাড়া টেকসই ব্যবসায়িক সম্পর্ক সম্ভব নয়। ফুডপান্ডা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে কমিশন ও বিভিন্ন চার্জ কাঠামো পুনর্বিবেচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে বলেও মনে করছে সমিতি। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
