ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ● ১ অক্টোবর ২০২৬ ● ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
সত্যিই কি এরশাদ শিকদার মাগুর মাছকে মানুষ খাওয়াতেন, রহস্যময় বাড়িটিতে কতজন ছিলেন স্ত্রী?
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Thursday, 1 October, 2026, 1:43 PM

সত্যিই কি এরশাদ শিকদার মাগুর মাছকে মানুষ খাওয়াতেন, রহস্যময় বাড়িটিতে কতজন ছিলেন স্ত্রী?

সত্যিই কি এরশাদ শিকদার মাগুর মাছকে মানুষ খাওয়াতেন, রহস্যময় বাড়িটিতে কতজন ছিলেন স্ত্রী?

আশি ও নব্বইয়ের দশকে খুলনার মূর্তিমান আতঙ্ক ছিলেন কুখ্যাত খুনি এরশাদ শিকদার ওরফে রাঙা চোরা। ২০০৪ সালে ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরও তার অপরাধজগত, একাধিক বিয়ে, হত্যা ও নির্যাতনের নানা কাহিনি মানুষের মুখে মুখে এখনও। এরশাদ শিকদার গ্রেফতারের পর তার ‘সাত-আট বউ’ নিয়েও ব্যাপক আলোচনা ও গুঞ্জন ছড়ায়। এর মধ্যে তার ছয়টি বিয়ের কথা সবচেয়ে বেশি শোনা গিয়েছিল।

তবে এরশাদের প্রথম স্ত্রী খোদেজা বেগম। ১৯৭৩ সালে খোদেজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সানজীদা নাহার শোভা নামে তার আরেক স্ত্রী ছিলেন। তাকে তিনি নিজের বিলাসবহুল বাড়ি ‘স্বর্ণকমলে’ নিয়ে এসেছিলেন। খোদেজা ও শোভার বিয়ের বিষয়ে দুই পরিবারের স্বীকৃতির পাশাপাশি বৈধ বিয়ের প্রমাণও মেলে। আলোচিত অন্য স্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন রূপসার রাজাপুর গ্রামের তসলিমা আক্তার, বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফরিদা বেগম, সহযোগী বারেক কমান্ডারের স্ত্রী রামেছা আক্তার এবং যাত্রাপালার নায়িকা পাইকগাছার দুর্গারানী। এছাড়া নূরে আলমের সাক্ষ্যে তার স্ত্রী হীরাকে এরশাদ নির্যাতন করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এরশাদ শিকাদার এদের বিয়ে করেছেন; এমন দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার তৈরি রহস্যময় বাড়িটিতে দুই স্ত্রী ও সন্তানরা থাকতেন।

এরশাদের প্রথম স্ত্রী খোদেজা বেগমের ঘরে চার সন্তান জন্ম নেয়। তাদের মধ্যে তিন ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলেরা হলেন কামাল শিকদার, মনিরুজ্জামান শিকদার জামাল ও হেলাল শিকদার এবং মেয়ে সুবর্ণা ইয়াসমিন স্বাদ। অন্যদিকে, ১৯৯৯ সালে এরশাদ শিকার গ্রেফতার হওয়ার পর শোভার গর্ভে জান্নাতুল নওরীন এমিলি এশা নামে এক মেয়ের জন্ম হয়। ২০২২ সালের ৪ মার্চ রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে পুলিশ জান্নাতুল নওরীন এশার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।

রাজসাক্ষী নূরে আলমের জবানবন্দি

এরশাদ শিকদারের দেহরক্ষী নূরে আলম তার বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হয়ে আদালতে সাক্ষ্য দেন। তার জবানবন্দিতে এরশাদের নির্মমতার নানা ঘটনা উঠে আসে।

নূরে আলমের বর্ণনা অনুযায়ী, একবার গাড়িতে করে বাসায় ফেরার সময় রাস্তায় এক তরুণীর দিকে নজর পড়ে এরশাদ শিকদারের। নূরে আলমকে দিয়ে মেয়েটিকে আস্তানায় নিয়ে আসেন। এরপর তাকে নির্দেশ দেন, মেয়েটিকে তৎক্ষণাৎ বিয়ে করতে হবে। নূরে আলম রাজি হলে এরশাদ তাকে বিয়ের কাপড় আনতে পাঠান। তিনি চলে যাওয়ার পর মেয়েটির ওপর নির্যাতন চালান এরশাদ।

এরশাদ শিকদারের ‘স্বর্ণকমল’ বাড়িটি

পরে নূরে আলমের সঙ্গে ওই মেয়েটির বিয়ে হয়। কিন্তু এরপরও এরশাদ থামেননি। নূরে আলমের অনুপস্থিতিতে তার স্ত্রীর ওপর নির্যাতন চলতে থাকে বলে তার জবানবন্দিতে অভিযোগ করা হয়। একদিন নূরে আলম ঘটনাটি দেখে ফেলেন। তখন এরশাদ তাকে বলেছিলেন, ‘জীবন তো ভোগের জন্যই, সব কিছু ঠান্ডা মাথায় নাও।’

নূরে আলম ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত এরশাদের ২৪টি হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী ও সহযোগী ছিলেন বলে জানা যায়। মূলত এই কারণে রাজসাক্ষী হয়ে এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এরশাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন তিনি।

নির্যাতনের শিকার নারীর করুণ ইতিহাস

এরশাদ শিকদারের মৃত্যুর পর তার নির্যাতনের শিকার এক নারীর করুণ ইতিহাসও সামনে আসে। ওই নারী স্বামীর সঙ্গে ঘাট এলাকায় এসেছিলেন। সেখানে তার স্বামী এরশাদের অপরাধজগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে এরশাদের নজর পড়ে ওই নারীর ওপর। পরিকল্পনা করে তার স্বামীর বিরুদ্ধে তিন লাখ টাকা চুরির অভিযোগ তোলা হয়। বলা হয়, তিন দিনের মধ্যে টাকা ফেরত না দিলে তাকে মেরে ফেলা হবে। জীবন বাঁচাতে কাকুতি-মিনতি করলে এরশাদ ওই নারীকে বলেন, তার কথা অনুযায়ী চললেই কেবল বাঁচা যাবে।

অভিযোগ রয়েছে, এরপর নিয়মিত এরশাদের নির্যাতনের শিকার হতে হয় ওই নারীকে। এর মধ্যে তার দুটি মেয়ে জন্ম নেয়। এরশাদ তাদের ভরণপোষণের টাকাও দিতেন বলে জানা যায়। মেয়েরা বড় হওয়ার পর তারাও এরশাদের নির্যাতনের শিকার হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঝালকাঠি থেকে যেভাবে খুলনায় গড়েন স্বর্ণকমল

এরশাদ শিকদারের জন্ম ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মাদারঘোনা গ্রামে। তার বাবা ছিলেন বন্দে আলী শিকদার। আট ভাইবোনের মধ্যে এরশাদ শিকদার ছিলেন দ্বিতীয়। ১৯৬৭ সালে জন্মস্থান নলছিটি ছেড়ে খুলনায় চলে আসেন। খুলনায় আসার পর কিছুদিন রেলস্টেশনে কুলির সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। সেখান থেকেই রেললাইনের পাত চুরি করে বিক্রি করা একটি দলের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে নিজেই একটি দল গঠন করেন। এ সময় এলাকায় ‘রাঙা চোরা’ নামে পরিচিতি পান। ঘাঁটি গাড়েন ৫ নম্বর ঘাট এলাকায়। আশির দশকে নিয়ন্ত্রণ নেন রেলস্টেশন, ৪ ও ৫ নম্বর ঘাট এলাকার। এরপর তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু হয়।


রামদা বাহিনী গঠন

১৯৭৬-৭৭ সালের দিকে এরশাদ শিকদার ‘রামদা বাহিনী’ নামে একটি দল গঠন করেন। দলটি খুলনা রেলস্টেশন ও ঘাট এলাকায় চুরি-ডাকাতি এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। ১৯৮২ সালে এই রামদা বাহিনী নিয়েই তিনি ৪ ও ৫ নম্বর ঘাট এলাকা দখল করেন এবং ওই এলাকার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

রাজনীতিতে যেভাবে

১৯৮২ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখলের পর জাতীয় পার্টিতে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এরশাদ শিকদার। সামরিক শাসক এরশাদের আমলে ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে তিনি তৎকালীন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের (বর্তমান ২১ নম্বর ওয়ার্ড) কমিশনার নির্বাচিত হন।

১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে এরশাদ শিকদার বিএনপিতে যোগ দেন। পরে ১৯৯৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর তিনি আবার দল পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। তবে সমালোচনার মুখে কিছুদিন পরই আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হন। ১৯৯৯ সালে গ্রেফতার হওয়ার সময়ও তিনি ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার ছিলেন। রাজনীতিতে প্রবেশের পর এরশাদ শিকদার আরও ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠেন বলে বিভিন্ন নথি ও সাক্ষ্যে উঠে এসেছে।

রাজনীতি থেকে দখল ও অপরাধে

১৯৮৪ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি খুলনার রেলওয়ের সম্পত্তি দখল, জোরপূর্বক ব্যক্তিগত সম্পত্তি দখল, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন।

বরফকল দখল, হত্যার অভিযোগ

১৯৯১ সালে এরশাদ শিকদার ৪ নম্বর ঘাট এলাকা থেকে রফিক নামে এক বরফকল মালিককে ভয় দেখিয়ে বিতাড়িত করেন এবং বরফকলটি দখল করেন। পরে ব্যবসায়ীদের তার বরফকল থেকেই বরফ কিনতে বাধ্য করা হতো। অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে বরফকলটি নির্যাতনকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হতো। বরফকলের ভেতরে খাদক মাগুর মাছের চাষ ছিল। এরশাদের সঙ্গে বিরোধে জড়ানো ব্যক্তিদের সেখানে নিয়ে হত্যার পর তাদের মরদেহ কেটে মাগুর মাছকে খাওয়ানো হতো এবং মানুষের হাড়গোড় বস্তায় ভরে সিমেন্টের চাকে বেঁধে ভৈরব নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।

ভেঙে ফেলা হয়েছে এরশাদ শিকদারের ‘স্বর্ণকমল’ বাড়ির একাংশ

কেউ কেউ বলছেন, ওই ডেরায় ১০-১২ হাত গভীর চৌবাচ্চা তৈরি করে সেখানে রাক্ষুসে আফ্রিকান মাগুর মাছ চাষ করতেন এবং মানুষ হত্যার পর লাশ সেখানে ফেলে দিতেন বলে ঘাট এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল। তবে তদন্ত বা আদালতের নথিতে এই দাবির পক্ষে কোনও সত্যতা পাওয়া যায়নি।

৬৬ হত্যার অভিযোগ

গ্রেফতারের পর এরশাদ শিকদারের বিরুদ্ধে ৬৬টিরও বেশি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের অনেকগুলোই করেন তার একসময়কার সহযোগী ও রাজসাক্ষী নূরে আলম।

নূরে আলম ২৪টি হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে আদালতে জবানবন্দি দেন। তার সাক্ষ্যে এরশাদের কাছে ৭০টিরও বেশি আগ্নেয়াস্ত্র থাকার তথ্য প্রকাশ পায় বলে জানা যায়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এরশাদের প্রাসাদসম ‘স্বর্ণকমল’ বাড়িতে একটি গোপন কক্ষের সন্ধান মেলে। সেখান থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল।

৪৩ মামলায় সাত মৃত্যুদণ্ড

এরশাদ শিকদার গ্রেফতার হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ৪৩টি মামলা হয়। নিম্ন আদালতের বিচারে সাতটি হত্যা মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড এবং চারটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

পরে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। রাষ্ট্রপতি তার আবেদন নাকচ করে দিলে ২০০৪ সালের ১০ মে দিনগত মধ্যরাতে খুলনা কেন্দ্রীয় কারাগারে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ১১ মে ভোরে কারাগার থেকে তার লাশ বের করা হয়। ওই দিনই তাকে দাফন করা হয়।

স্বর্ণকমল এখন পরিত্যক্ত

খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা এলাকার মজিদ সরণিতে গড়ে তুলেছিলেন স্বর্ণকমল বাড়ি। এরশাদ শিকদারের এই বাড়িটি সব সময় এক রহস্যময় বাড়ি হিসেবে থেকে গেছে সাধারণ মানুষের কাছে। একসময়ের আলোচিত বাড়িটি ঘিরে প্রচলিত আছে নানা গল্প। ২০০৪ সালে এরশাদ শিকদারের ফাঁসি হওয়ার পর বাড়িটি দেখতে প্রচুর মানুষ ভিড় করতেন। খুলনার আলোচিত বাড়ি হিসেবে পরিচিত এটি। সেই বাড়ি ভাঙার খবর শুনে প্রতিদিনই লোকজন তা দেখতে আসছেন। তবে বিলাসবহুল বাড়ি ‘স্বর্ণকমল’-এর অর্ধেক এখন আর নেই। ২০২৩ সালে বাড়িটির অর্ধেক ভেঙে ফেলা হয়। ওই অংশ বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে অংশটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ফাঁকা ও জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। বাড়িটির বাকি অর্ধেক অবশ্য এখনও ‘স্বর্ণকমল’-এর অস্তিত্ব ধরে রেখেছে। তবে গত চার বছর ধরে সেখানে কেউ বসবাস করেন না। বাড়িটি ১০ কাঠা জমির ওপর। একটি অংশ তিনতলা পুরোনো ভবন ও অন্যটি দোতলা।

আগে এরশাদ শিকদারের বড় ছেলে কামাল শিকদার ওই বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি প্রথম স্ত্রী খোদেজা বেগমের বড় ছেলে। স্বর্ণকমলের অদূরে তার একটি মোবাইল রিচার্জের দোকান রয়েছে। বর্তমানে তিনি সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় থাকেন। এসব বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিলাসবহুল ‘স্বর্ণকমল’ নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিকেও এরশাদ শিকদারের হাতে নির্মমভাবে প্রাণ দিতে হয়েছিল বলে জানা যায়। একসময় খুলনার সবচেয়ে বিলাসবহুল বাড়ি হিসেবে পরিচিত ছিল এটি। ভারত থেকে নকশা করিয়ে বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছিল। দেশ-বিদেশের দামি আসবাবপত্র দিয়ে সাজানো বাড়িটির ভেতরে লুকিয়ে থাকার জন্য একটি বাঙ্কারও ছিল। পরিত্যক্ত স্বর্ণকমলের সামনে দোকান দেওয়া এক নারী বলেন, ‘বাড়িটি চার বছর ধরে ফাঁকা। কেউই থাকে না। তবে বাড়িটির রহস্য আজো জানা হয়নি আমাদের।’


সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status