|
রাউজানে পুলিশের ওপর গুলি, আহত ১২; অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ১
মো.মোক্তার হোসেন বাবু
|
![]() রাউজানে পুলিশের ওপর গুলি, আহত ১২; অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ১ পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার দিলদারের হেফাজত ও তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১১৯ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি, ছয় রাউন্ড সীসা কার্তুজসহ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় চক্রটির অন্য সদস্যরা পালিয়ে যান। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে রাউজান থানার ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায় এ অভিযান চালানো হয়। পুলিশ জানায়, মো. জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪২) ও মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বস (৫২)-এর নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সম্প্রতি গত ২৫ সেপ্টেম্বর আবু বক্কর চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করার অভিযোগও পাওয়া যায়। অভিযোগের তথ্য যাচাই করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে রাউজান থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে জানে আলমের বসতঘরের সামনে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। পুলিশের ভাষ্য, পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘরের ভেতর থেকে জানে আলম, আজিজ বস, দিলদার হোসেন, মো. রুবেল (২৭), মো. মামুন-অর-রশিদ ওরফে মামুন (৩৫) ও মো. বাঁচা (৪৫)সহ কয়েকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায় বলে জানানো হয়েছে। এতে এসআই মো. জান্নাতুন নাঈম রাজন, এসআই মো. খোরশেদ আলম, এসআই মো. বায়েজিদ মৃধা, এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মো. জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস ও এএসআই মো. রবিউল হোসেনসহ ১২ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে অভিযান চালিয়ে গুলিবিদ্ধ দিলদার হোসেনকে আটক করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অন্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দিলদারের হেফাজত ও তার দেখানো স্থান থেকে একটি দোনলা বন্দুক, একটি একনলা কাটা বন্দুক, ১১৯ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি, ছয় রাউন্ড সীসা কার্তুজ, চারটি রামদা, দুটি কটি ও দুটি গুলি রাখার প্রসেস উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার দিলদার ও পলাতক সহযোগীদের সংঘবদ্ধ ও অস্ত্রধারী অপরাধী হিসেবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। এর আগে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে একই উপজেলার কদলপুর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে তিনজনকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, দুই রাউন্ড সীসা কার্তুজ, একটি রামদা ও একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
