দীর্ঘ ৬ বছর পর তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এ ভোটের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের (২০১৯-২১) জন্য পোশাক মালিকরা তাদের কাণ্ডারি নির্বাচিত করবেন।
ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিজিএমইএ’র কার্যালয়ে শনিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোট চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
নির্বাচনে ঢাকা অঞ্চলের ২৬ পরিচালক পদের বিপরীতে লড়ছেন দুই প্যানেলের ৪৪ জন প্রার্থী। মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেলের নেতৃত্ব দেবেন। আর স্বাধীনতা পরিষদের নেতৃত্ব দেবেন জাহাঙ্গীর আলম।
বিজিএমইএ’র পরিচালক সংখ্যা ৩৫। আজ শুধু ঢাকা অঞ্চলের ২৬ পরিচালক পদের বিপরীতে ভোট হবে। কারণ চট্টগ্রাম অঞ্চলে নির্ধারিত ৯টি পরিচালক পদের বিপরীতে ৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় তারা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার এক হাজার ৯৫৬ জন। তার মধ্যে ঢাকার এক হাজার ৫৯৭ এবং চট্টগ্রামে ৩৫৯ জন। পরিচালক পদে বিজয়ীরা পরবর্তীতে সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচন করবেন।
সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন- রুবানা হক, এসএম মান্নান, ফয়সাল সামাদ, মোহাম্মদ নাছির, আসিফ ইব্রাহিম, আরশাদ জামাল, এমএ রহিম, কেএম রফিকুল ইসলাম, শহীদুল হক, মশিউল আজম, ইনামুল হক খান, মাসুদ কাদের, ইকবাল হামিদ কোরাইশী, নাছির উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, রেজওয়ান সেলিম, মুনির হোসেন, একেএম বদিউল আলম, মিরান আলী, মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, মোশারফ হোসেন ঢালী, শিহাবউদ্দোজা চৌধুরী, মহিউদ্দিন রুবেল, শরীফ জহির ও নজরুল ইসলাম। এ যৌথ প্যানেলের চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ীরা হলেন- আবদুস সালাম, এএম চৌধুরী, এএম মাহবুব চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন, অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা।