|
স্মার্টফোন বিস্ফোরণ: তদন্ত, দোষীদের শাস্তি ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ চায় গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() স্মার্টফোন বিস্ফোরণ: তদন্ত, দোষীদের শাস্তি ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ চায় গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এসব দাবি জানিয়ে দেশের কোটি কোটি মোবাইল ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। একই সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক তদন্তের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের অবহেলা গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিটি বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রযুক্তিগত ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ বের করতে হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডকে দায়ী কিংবা দায়মুক্ত ঘোষণা করা উচিত হবে না। তিনি বলেন, দেশে উৎপাদিত, সংযোজিত ও আমদানিকৃত মোবাইল হ্যান্ডসেট, ব্যাটারি এবং চার্জারের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভোক্তাদের নানা অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয়ভাবে সংযোজিত বা উৎপাদিত কিছু ডিভাইস আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান অনুসরণ করছে কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থও সংরক্ষণ করতে হবে। বিবৃতিতে বলা হয়, যেসব ব্র্যান্ডের মোবাইল হ্যান্ডসেট বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে এবং তাদের পণ্যের নিরাপত্তা বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। তদন্তে যদি কোনো উৎপাদনকারী, সংযোজনকারী, আমদানিকারক বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনগত ত্রুটি, মান নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা কিংবা নিরাপত্তাজনিত অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও নিহতদের পরিবারের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে ত্রুটিপূর্ণ ডিভাইস বাজার থেকে প্রত্যাহার (রিকল) করার উদ্যোগ নেওয়ারও দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন সরকারের কাছে কয়েকটি তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চপর্যায়ের স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন, বিটিআরসি, বিএসটিআই এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা, বাজারে বিক্রিত মোবাইল ফোন, ব্যাটারি ও চার্জারের মান যাচাই জোরদার, অননুমোদিত ও নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা, স্থানীয় উৎপাদন ও সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান বাধ্যতামূলক করা এবং ভোক্তাদের জন্য কার্যকর অভিযোগ গ্রহণ ও প্রতিকার ব্যবস্থা চালু করা। সংগঠনটি আরও বলেছে, জনগণের জীবন ও নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারকে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে একটি সমন্বিত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় মোবাইল ব্যবহারকারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়বে এবং প্রযুক্তিপণ্যের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
আর্জেন্টিনার আক্রমণ নাকি স্পেনের রক্ষণ, জয় হবে কার?
স্মার্টফোন বিস্ফোরণ: তদন্ত, দোষীদের শাস্তি ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ চায় গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন
সাজেকে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত স্কুল শিক্ষিকার পরিবারের দায়িত্ব নিলেন বিজিবি
বাগমারায় পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষ, ৬ পরীক্ষার্থীসহ ৭ জন আহত
